সুকুমার সরকার, ঢাকা: বাংলাদেশের ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট পেশ করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অসুস্থতা নিয়ে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আগেই ছিলেন হাসপাতালে। কিন্তু বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) নির্ধারিত ছিল বাংলাদেশের ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট পেশ। তাই অসুস্থতা নিয়ে সরাসরি হাসপাতাল থেকে সংসদে এসে বাজেট বক্তব্য দিচ্ছিলেন অর্থমন্ত্রী মোস্তফা কামাল। বাজেট বক্তৃতা তিনটেয় শুরু করে অসুস্থতা নিয়ে চারটায় এসে পাঠ শেষ করতে না পেরে বাকি অংশ পাঠ করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অনুরোধ করেন তিনি। এজন্য স্পিকারের অনুমোদন চান। পরে স্পিকারের অনুমতি সাপেক্ষে অসমাপ্ত বাজেট উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যের শুরুতে স্পিকারের উদ্দেশে বলেন, “আমি আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। অর্থমন্ত্রীর চোখে অপারেশনের জন্য পড়তে সমস্যা হচ্ছে। আমার নিজেরও ঠান্ডা লেগে আছে। এ অবস্থায় অনুমতি পেলে বাজেটের পাতার বাকি অংশটুকু আমি পাঠ করতে চাই।” বাজেট পেশের এক অংশে নিজের প্রশংসা আসার পর হেসে ফেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেন, মাননীয় স্পিকার আমি কিন্তু অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য দিচ্ছি। বাজেট পেশের একপর্যায়ে অর্থমন্ত্রী ওষুধ খাওয়ার জন্য স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরির কাছে ৫ মিনিট সময় চেয়ে নেন।
[ আরও পড়ুন: ঢাকায় ধৃত দুই রোহিঙ্গার পেটে মিলল ৯ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট ]
বৃহস্পতিবার বেলা তিনটেয় স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরির সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। শুরুতে দাঁড়িয়ে বাজেট বক্তৃতা শুরু করলেও পরে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে অসুস্থ অর্থমন্ত্রী নিজ আসনে বসে প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেন। এর আগে মন্ত্রিসভা প্রস্তাবিত বাজেটের অনুমোদন দেয়। বাজেট ঘোষণার আগে দুপুর ১টার একটু পর জাতীয় সংসদ ভবনে বিশেষ বৈঠকে মন্ত্রিসভা এ অনুমোদন দেয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রিসভার এ বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অসুস্থ থাকার কারণে আসতে দেরি হওয়ায় অর্থমন্ত্রী মুস্তাফা কামালকে ছাড়াই মন্ত্রিসভার বৈঠক শুরু হয়। অর্থমন্ত্রী অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে সরাসরি বৈঠকে যোগ দেন।
প্রথানুযায়ী বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে চির চেনা কালো ব্যাগ নিয়ে সংসদে আসেন অর্থমন্ত্রী মুস্তাফা কামাল। বাজেট বক্তৃতা শুরু করার আগে প্রস্তাবিত বাজেটের প্রামাণ্যচিত্র উপস্থাপনের জন্য স্পিকারের অনুমতি চান অর্থমন্ত্রী। স্পিকার অনুমতি দিলে প্রামাণ্যচিত্রটি উপস্থাপন করা হয়। মাল্টিমিডিয়া প্রজেকশনের মাধ্যমে স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে থাকা আওয়ামি লিগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের পরিসংখ্যাণ উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন আর্থসামাজিক বিষয় নিয়ে বেশ কয়েকটি সংক্ষিপ্ত প্রামাণ্যচিত্র প্রচার করা হয়।
[ আরও পড়ুন: রোহিঙ্গাদের ফেরাতে রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠক বাংলাদেশের মন্ত্রীর ]
সর্বশেষ খবর
-
ব্যাঙ্কের বাইরে এবার নিয়মিত টহল দেবে পুলিশ! নয়া নির্দেশিকা জারি লালবাজারের
-
যাত্রী সেজে গাড়িতে, ক্যাব চালকের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ফিল্মি কায়দায় ডাকাতি খাস কলকাতায়!
-
ইকবালের মতোই জলে ডুবে থাকে তার দিদি-বোনেরাও! ‘বাপমরা মেয়েগুলো’র চিন্তায় চোখে জল মায়ের
-
একজনের নামে ক’টা সিম কার্ড? আগস্টেই চালু হচ্ছে নয়া নিয়ম
-
রাতবিরেতে আচমকা পূর্ব বর্ধমানের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হানা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর! ঘেঁটে দেখলেন ওষুধের স্টক