BREAKING NEWS

১৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

বাংলাদেশে হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, সংক্রমণ একই পরিবারের ৩ জনের শরীরে

Published by: Sayani Sen |    Posted: March 19, 2020 2:40 pm|    Updated: March 19, 2020 4:44 pm

An Images

ফাইল ফটো

সুকুমার সরকার, ঢাকা: বাংলাদেশেও ক্রমশই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। নতুন করে একই পরিবারের আরও তিনজনের শরীরে মিলেছে মারণ চিনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রমাণ। বৃহস্পতিবার রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে একথা জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ। নতুন করে যে তিনজন আক্রান্ত হয়েছেন তাঁরা ইটালি ফেরত এক ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিলেন বলে জানান আবুল কালাম আজাদ। এর আগে বুধবারই বাংলাদেশে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

গত ৮ মার্চ প্রথম তিনজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন। তাঁদের মধ্যে তিনজনই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। বাংলাদেশে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৬ হাজার ৩৯৩ জন। তাঁদের মধ্যে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৬ হাজার ৩১৫ জন। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৭৮ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের COVID-19 সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে বুধবার রাতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে বিদেশ থেকে কেউ এলেই তাঁর ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। নিয়ম না মানলে শাস্তিও দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন অন্তত ১ হাজার ৫৪৮ জন। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে এসেছেন ৭৮ জন। এদিকে, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ শনাক্তে বাংলাদেশকে চিন সরকার ৫০০ সেট সর্বাধিক উন্নত কিটস দেবে। চিনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠকে একথা জানান। রাষ্ট্রদূত বলেন, “খারাপ সময়েও চিন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে ভুলে যায়নি।” বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক নাগরিক অর্থ উপার্জনের আশায় বিদেশে যান। তাই মারণ চিনা ভাইরাস দেশে প্রবেশের সম্ভাবনা প্রবল।

[আরও পড়ুন: নমাজের আগে থানকুনি পাতা খেলে করোনা থেকে মুক্তি! বাংলাদেশে ছড়াল গুজব]

করোনা মোকাবিলায় টঙ্গির ইজতেমা ময়দান প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকলে কোয়ারেন্টাইনে রাখার প্রয়োজনে হাসপাতালের পাশাপাশি টঙ্গির বিশ্ব ইজতেমা ময়দানও প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। বুধবার সচিবালয়ে ‘করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এই নির্দেশ দেওয়ার কথা জানান। জাহিদ মালেক বলেন, “করোনা ভাইরাসের কারণে বেশি মানুষকে আইসোলেশনে রাখার প্রয়োজন হলে ঢাকার কুয়েত-মৈত্রী হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল-সহ কিছু হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি টঙ্গির বিশ্ব ইজতেমা ময়দানও প্রস্তুত করা হবে।” বিদেশ থেকে ফিরে হোম কোয়ারেন্টাইনের নিয়ম না মানার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “বিদেশ ফেরত প্রতিটি ব্যক্তিকে কোয়ারেন্টাইনে ১৪ দিন থাকার সব নিয়ম মেনে চলতে হবে।” এ নিয়ে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও গোয়েন্দা শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের জোরালো ভূমিকা রাখার বিষয়ে স্বাস্থ্য সচিবকে নির্দেশ দেন তিনি।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement