Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Rohingya

রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ফেরাতে ফের বৈঠকে বসছে বাংলাদেশ ও মায়ানমার

২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করে দু'দেশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৯, ২০১৯, ১৫:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৯, ২০১৯, ১৫:৪০

options
link
রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ফেরাতে ফের বৈঠকে বসছে বাংলাদেশ ও মায়ানমার zoom
Advertisement

সুকুমার সরকার, ঢাকা: প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা ১১ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর নিরাপদে প্রত্যাবাসনের বিষয় নিয়ে চতুর্থবার বৈঠকে বসছে বাংলাদেশ ও মায়ানমার। আগামী ৩ মে মায়ানমারের নেপিডোতে বাংলাদেশ ও মায়ানমারের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ (জেডব্লিউজি)-র মধ্যে বৈঠকটি হবে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ বিদেশ মন্ত্রকের অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একথা জানান বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।

[আরও পড়ুন-নূরের ভিসা বাতিল নিয়ে সরব মদন-কল্যাণ, সাফাই দিলীপের]

তিনি বলেন, “আশিয়ানের তত্ত্বাবধানে মায়ানমারের অভ্যন্তরে একটি নিরাপদ অঞ্চল ‘আশিয়ান প্লাস’ তৈরির জন্য ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ একটি প্রস্তাব দিয়েছে। এর ফলে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা মায়ানমারে ফিরে নিরাপদে আছে কিনা তাতে যেন নজরদারি চালাতে পারে আশিয়ানের সদস্য দেশগুলি। আসন্ন জেডব্লিউজি বৈঠকে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে ‘নিরাপদ অঞ্চল’ প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হবে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন-ফিরদৌসের পর নূর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশে বাতিল বাংলাদেশি অভিনেতার ভিসা]

মায়ানমার তাদের নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে নেবে বলে বাংলাদেশকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলেও জানান বিদেশমন্ত্রী ডঃ এ কে আবদুল মোমেন। তাঁর দাবি, ইতিমধ্যেই যে রোহিঙ্গাদের শনাক্ত করা হয়েছে তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হবে বলে আমাকে কয়েকবার আশ্বস্ত করেছে মায়ানমার। তবে এখনও পর্যন্ত সেই কাজটি শুরু করা হয়নি। এমনকী মায়ানমারের অভ্যন্তরে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের পরিবেশও এখন পর্যন্ত সৃষ্টি করা হয়নি। আর এতে যথেষ্ট অগ্রগতিও হয়নি মায়ানমারের জন্য।

[আরও পড়ুন-প্রেমে প্রত্যাখ্যাত, ঢাকায় ছাত্রীকে কুপিয়ে খুনে অভিযুক্ত নাবালক]

মায়ানমার এই সংকট সৃষ্টি করেছে। তাদের সহযোগিতা ছাড়া এই সমস্যার সমাধান করা কঠিন হবে বলেও মনে করেন তিনি। বাংলাদেশ ও মায়ানমার রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন কাজ শুরুর লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ১৯ ডিসেম্বর একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। এরপর ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করে দুই দেশ। এরপর থেকে রোহিঙ্গাদের মায়ানমারে ফেরাতে মোট তিন বার বৈঠকে বসেছে তারা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.