Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে রাষ্ট্রসংঘের প্রধান, শুনলেন ‘পৈশাচিক’ নির্যাতনের বিবরণ   

আরও চাপে মায়ানমার!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৪:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৪:৪৭

options
link
রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে রাষ্ট্রসংঘের প্রধান, শুনলেন ‘পৈশাচিক’ নির্যাতনের বিবরণ    zoom
Advertisement

সুকুমার সরকার, ঢাকা: কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের শিবির পরিদর্শন করলেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিশ্বব্যাংকের প্রধান জিম ইয়ং কিম। সোমবার উখিয়ার কুতুপালংয়ে উদ্বাস্তুদের যন্ত্রণার কথা শুনলেন গুতেরেস।

[প্রবল বৃষ্টিতে বিপন্ন রোহিঙ্গা শরণার্থীরা, বানের জলে ভাসল কয়েকশো আশ্রয় কেন্দ্র]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিন সংবাদমাধ্যমকে গুতেরেস জানান, মায়ানমারে নারকীয় অত্যাচারের বর্ণনা দিয়েছেন শরণার্থীরা। ধর্ষণ-হত্যার মতো জঘন্য অপরাধের কথা জানিয়েছেন উদ্বাস্তুরা। একটি টুইট করে রাষ্ট্রসংঘের প্রধান বলেন, “বিশ্বের সবথেকে বেশি নির্যাতিত সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি রোহিঙ্গা সম্প্রদায়। মায়ানমারে তাঁদের সঙ্গে ঘটা অকল্পনীয়, অমানবিক নির্যাতনের ঘটনা শুনলাম। তাঁরা শুধু চাইছে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে।” মায়ানমারের উপর চাপ বাড়িয়ে এদিন শরণার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেন গুতেরেস। এদিন বাংলাদেশের ভূয়সী প্রসংশা করেন বিশ্বব্যাংকের প্রধান জিম ইয়ং কিম। তিনি বলেন, “মানবতার নজির গড়ে শরণার্থীদের জায়গা দিয়েছে বাংলাদেশ।”

শনিবার রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখত বাংলাদেশ পৌছান গুতেরেস ও জিম ইয়ং। রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে সু কি সরকারের উপর ক্রমেই বাড়ছে আন্তর্জাতিক চাপ। সদ্য বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে নাইপিদাওয়ের কাছে আবেদন জানিয়েছে ব্রিটেন। এর আগে গণগত্যায় অভিযুক্ত একাধিক বার্মিজ সেনা কর্তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা চাপায় আমেরিকা। যদিও বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সদিচ্ছার অভাব রয়েছে মায়ানমারের। প্রযুক্তিগত বাধা দেখিয়ে এই চুক্তিও বাস্তবায়িত করবে না সু কি সরকার। এর আগেও বাংলাদেশের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে চুক্তি সই করেছিল মায়ানমার। তবে নানা আইনি জটিলতার অছিলায় শরণার্থীদের ফেরত বইতে রাজি হয়নি সে দেশ। এহেন পরিস্থিতে একপ্রকার অনিশ্চয়তার মধ্যে বাংলাদেশে দিন গুনতে হচ্ছে প্রায় ১০ লক্ষ শরণার্থীদের।

[রোহিঙ্গা ইস্যুতে আরও চাপে মায়ানমার, এবার আসরে ইউকে]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.