সুকুমার সরকার, ঢাকা: রোহিঙ্গাদের উপর ক্রমেই ক্ষোভ বাড়ছে বাংলাদেশি নাগরিকদের। তারা আশঙ্কা করছেন এই রোহিঙ্গারা স্বদেশীদের কর্মসংস্থান কমিয়ে দেবে। রোহিঙ্গারা পরিবেশের ক্ষতি করছে। তাদের আশঙ্কা, এই বিশাল সংখ্যক রোহিঙ্গা যেকোনও সময় বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে। তারা বাংলাদেশের চরমপন্থি গোষ্ঠীগুলির উসকানিতে উগ্রপন্থার রাস্তার হাঁটতে পারে৷ রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে থেকে গেলে, কী পরিণাম হতে পারে, সে বিষয়ে একটি বিশ্লেষণমূলক প্রবন্ধ লিখেছেন সুয়া কার্লানজিটক। সেই প্রবন্ধেই এই ভবিষ্যৎ বাণী করেছেন মার্কিন সাংবাদিক৷
[ আরও পড়ুন: জাতীয় সংগীতের অবমাননা! অভিযোগ ওঠায় কী বললেন নোবেল? ]
তিনি লিখেছেন, চলতি মাসের শুরুতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যর্পনের কাজ শুরু করার নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে মায়ানমার সরকার। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে এটি হল নেপিদোর দ্বিতীয়বার চেষ্টা। গত নভেম্বরে প্রথম চেষ্টা চালানো হয়। সেবার মায়ানমার সরকার প্রায় তিন হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে পদক্ষেপ নিয়েছিল। রোহিঙ্গারা যে মায়ানমারে ফিরে যেতে চাইবেন না, সেই বিষয়ে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আর সেজন্যই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের এ বিষয়ে প্রস্তুত থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
[ আরও পড়ুন: কঠোর হাসিনা সরকার, বন্ধ হল রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মোবাইল পরিষেবা ]
প্রসঙ্গত, ২০১৭-তে মায়ানমার সেনার বিরুদ্ধে রাখাইন প্রদেশের রোহিঙ্গা মুসলমানদের গণহত্যা ও জাতিগত নিধনের অভিযোগ ওঠে৷ সে বছর ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশ সীমান্ত খুলে দেয় সরকার। তখন বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় প্রায় সাত লক্ষ রোহিঙ্গা৷ শরণার্থী হিসেবে বাংলাদেশের আশ্রয় নেয় তারা। এরপর বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়৷ তবে এদের কোন প্রকার মোবাইল বা সিম কার্ড ব্যবহারের অধিকার ছিল না৷
সর্বশেষ খবর
-
গুটখার বিজ্ঞাপনে আইনি বিপাকে শাহরুখ, ‘বিবেকে বাঁধে…’, খোঁচা সানি দেওলের!
-
জীবন্ত পাঠশালা! দেশভাগ ও পরিচয়হীনতায় ভোগা বাঙালি সমাজ উত্তমকুমারের মধ্যেই দেখেছিল আশার আলো
-
বাংলাদেশের দলকে গোলের মালা, এশিয়া অভিযানের শুরুতেই বড় জয় ইস্টবেঙ্গলের
-
আজ থেকেই অ্যাকাউন্টে ঢুকছে অন্নপূর্ণার টাকা, কতদিন পর্যন্ত মিলবে? বড় ঘোষণা মন্ত্রীর
-
নীতীনের নেতৃত্বে নয়া ‘টিম’, স্মৃতি-বসুন্ধরার ‘কামব্যাক’, বিজেপির কেন্দ্রীয় সংগঠনে বাংলার দুই মুখ