BREAKING NEWS

১ আশ্বিন  ১৪২৭  শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

১০৯ বছরেও অদম্য ইচ্ছাশক্তি, লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটদান কাঁকসার বৃদ্ধের

Published by: Sayani Sen |    Posted: April 29, 2019 2:30 pm|    Updated: April 29, 2019 2:30 pm

An Images

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: একে একে জীবনের ১০৯টি বসন্ত পার করেছেন৷ বয়সের ভারে ন্যুব্জ তিনি৷ তবে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে ভোলেননি৷ নিজের পছন্দের জনপ্রতিনিধিকে বেছে নিতে সকাল সকাল বুথে গিয়ে সপরিবারে ভোট দিলেন কাঁকসার হারাধন সাহা৷ 

[ আরও পড়ুন: বেলা গড়াতেই উত্তপ্ত নানুর, বিজেপি কর্মীদের ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ]

কাঁকসার সরস্বতীগঞ্জের মলানদিঘির বাসিন্দা হারাধন সাহা। জানাচ্ছেন, ব্রিটিশ আমল থেকে ভোট দিচ্ছেন তিনি৷ তখন বয়স কুড়ির গণ্ডি পেরিয়েছে৷ সেই প্রথম লাইনে দাঁড়িয়ে আঙুলে কালি লাগিয়ে ভোট দেওয়া তাঁর৷ ফরিদপুরের বালিজুরি গ্রামে প্রথম ভোটটি তিনি দিয়েছিলেন৷ এখন আর সেভাবে কোনও কথা মনে রাখতে পারেন না৷ তাই আগে কাকে ভোট দিয়েছিলেন তিনি, তাও এখন আর মনে নেই শতবর্ষ পার করা হারাধন সাহার৷ একবারও ভোট না দিয়ে থাকেননি৷ সময়ের সঙ্গে বেড়েছে বয়স৷ শারীরিক অসুস্থতা জানান দেয়, শতায়ুর গণ্ডি পেরিয়েছেন তিনি৷ বয়স যাই হোক না কেন, অসুস্থতা যতই থাকুক না কেন, গণতন্ত্রের উৎসব তো আর রোজ হয় না৷ তাই তো পাঁচ বছর অন্তর গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হতে ভোলেননি শতাব্দী পেরোনো এই মানুষটি। পরিবারের প্রায় সকলকে সঙ্গে দিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন তিনি৷ হারাধন সাহা বলেন, ‘‘ভোট যখন থেকে শুরু হয়েছে তখন থেকেই ভোট দিচ্ছি আমি। আজ ভোট দিতে একটু সমস্যা হয়েছিল৷ অবশ্য পরে ঠিকই দিলাম।’’

OLD-MAN

[ আরও পড়ুন: বুথে এজেন্ট বসাতে রাস্তায় ছোটাছুটি অধীরের, সকাল থেকেই উত্তপ্ত বহরমপুর]

হারাধন সাহার ছেলে শিবনারায়ণ আটের দশকে কংগ্রেস প্রার্থী ছিলেন৷ ২০০২ সালে দলবদল করেন তিনি৷ বিজেপির হয়ে ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিলেন৷ কিন্তু এখন শিবনারায়ণ সাহা আর জীবিত নেই। তাঁর বাবা হারাধনবাবু আজও আছেন। হারাধনবাবুর নাতি নিত্যানন্দ সাহা বলেন, ‘‘চোখে সেভাবে দেখতে পাননা দাদু৷ তাই আমিও দাদুর সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে ঢুকেছিলাম।’’

OLD-MAN

এলাকার তৃণমুল নেতা সুকুমার সাহা বলেন,‘‘আমাদের এখানে খুব শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হয়।’’ উন্নয়নের স্বার্থে এলাকার মানুষ তৃণমূলকেই সমর্থন করবেন বলেও আশাবাদী তিনি৷

দেখুন ভিডিও:

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement