Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৩০ জুন ২০২৬
Bardhaman

দামোদরে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেল মামা-ভাগ্নে, শোকের ছায়া জামালপুরে

মাঝিদের চেষ্টায় উদ্ধার তৃতীয় জন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০২৫, ১৯:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০২৫, ১৯:৩৩

options
link
দামোদরে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেল মামা-ভাগ্নে, শোকের ছায়া জামালপুরে zoom
ঘাটে ভিড় করেছেন স্থানীয়রা। নিজস্ব চিত্র

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: অতিবর্ষণ। সঙ্গে ডিভিসির ছাড়া জল। দামোদরে স্নান করতে গিয়ে দুই যুবক ও কিশোর স্রোতের টানে তলিয়ে যায়। দামোদরের মাঝিরা একজনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও বাকি দু’জনকে পারেনি। পরে তাদের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মৃতরা সম্পর্কে মামা-ভাগ্না। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানে। মৃতদেহ উদ্ধারের পর পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

শনিবার দুপুরে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পাল্লা ৮ নম্বর ঘাট এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতরা হল মানিক বারুই (২৪) ও রাজ মণ্ডল (১২)। বরাত জোরে রক্ষা পেয়েছেন মানিকের বন্ধু বছর ২১-এর রনি বিশ্বাস। তিনজনেরই বাড়ি মেমারি থানার চাঁচাই এলাকায়। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরে তিনজন ভরা দামোদরে স্নান করতে গিয়েছিলেন। একদিকে নিম্নচাপের জেরে বৃষ্টি চলছে। অন্যদিকে ডিভিসির ছাড়া জলে দামোদরে তীব্র স্রোত রয়েছে। জলে নামার পর তীব্র স্রোতের টানে মানিক ও রাজ ভেসে যেতে থাকেন। তাঁদের বাঁচাতে এগিয়ে গিয়েছিলেন রনি। তিনিও ভেসে যেতে থাকেন স্রোতে। নদীতেই একটি নৌকায় মাঝি ছিলেন। প্রাণে বাঁচতে রনি চিৎকার করে তাঁকে ডাকতে থাকেন। সেই মাঝিই সেখানে গিয়ে জল থেকে রনিকে উদ্ধার করেন। ততক্ষণে জলে তলিয়ে গিয়েছেন মামা ও ভাগ্না।

খবর পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। নৌকা নিয়ে তাঁদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয় দামোদর নদে। প্রথমে রাজের দেহ উদ্ধার হয়। পরে মানিকের দেহ পাওয়া যায়। মাঝির তৎপরতায় প্রাণে বেঁচে যাওয়া রনি বলেন, “একই গ্রামে বাড়ি আমাদের। দুপুরে স্নান করতে এসেছিলাম। দামোদরে ব্যাপক স্রোত বুঝতে পারিনি আমরা। ওরা দু’জন প্রথমে ভেসে যাচ্ছিল। আমি ওদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে গেলে আমাকেও স্রোতে টেনে নিয়ে যায়। আমি চিৎকার করলে এক মাঝি নৌকা নিয়ে এসে আমাকে রক্ষা করে। ওরা দু’জন তলিয়ে যায়।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.