১ শ্রাবণ  ১৪২৬  বুধবার ১৭ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

ধীমান রায়, কাটোয়া:  ক্লাসে পড়া না পারলে তো কথাই নেই। হস্টেলেও কাজে ত্রুটি হলে মার খেতে হয়। স্রেফ মারের ভয়েই কাটোয়ার একটি আবাসিক স্কুল থেকে পালিয়ে গিয়েছিল ৯ জন পড়ুয়া। ৬ জনকে উদ্ধার করে পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছে পুলিশ। খবর দেওয়া হয়েছে বাকি তিনজনের বাড়িতে।

[আরও পড়ুন: অবিশ্বাস্য সাফল্য, শেরপা ছাড়াই কাংলা টার্বোর শিখর ছুঁলেন বাংলার ২ শিক্ষক]

পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার শ্রীখণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের দেবকুণ্ডু গ্রামে দু’হাজার সালে চালু হয় একটি বেসরকারি আবাসিক স্কুল। স্কুলটিতে প্রাথমিক থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পঠনপাঠন চলে। খাতায়-কলমে অবশ্য অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পঠনপাঠনের অনুমোদন পেয়েছে স্কুলটি। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অন্য স্কুল মারফৎ পড়াশোনা করতে হয় পড়ুয়াদের। পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যখন শ্রীখণ্ড গ্রামের কাছে বর্ধমান-কাটোয়া রাজ্য সড়কে ডিউটি করছিলেন দু’জন সিভিক ভলান্টিয়ার, তখন তাঁদের নজরে পড়ে, মাঠের আলপথ পেরিয়ে রাজ্য সড়কের দিকে এগিয়ে আসছে ৯ জন বালক। কারও বয়সই ১৩ বছরের বেশি নয়। সন্দেহ হওয়ার তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন কর্তব্যরত সিভিক ভলান্টিয়াররা। শেষপর্যন্ত আটকে রেখে খবর দেওয়া হয় কাটোয়া থানায়। ওই ৯ জনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

কাটোয়া থানায়ও যথারীতি ওই ৯ জন বালককে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। জানা যায়, তারা কাটোয়া শ্রীখণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় একটি বেসরকারি আবাসিক স্কুলের পড়ুয়া। পড়ুয়ারা জানায়, স্কুলে তো বটেই, হস্টেলেও তাদের নিয়মিত মারধর করা হয়। মারের ভয়েই হস্টেল থেকে পালিয়েছে তারা। খবর পেয়ে রাতেই থানা থেকে ৬ জনকে নিয়ে গিয়েছে বাড়ির লোকেরা। বাকি তিনজনের বাড়িতেও খবর পাঠিয়েছে পুলিশ। কাটোয়ার এসপিডিও ত্রিদিব সরকার জানিয়েছেন, যদি ওই তিনজনকে বাড়ির লোকেরা ফিরিয়ে নিয়ে না যান, সেক্ষেত্রে তাদের সরকারি কোনও হোম রাখা হবে। মামলা দায়ের না হলেও, ওই আবাসিক স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এদিকে স্কুলে কিংবা হস্টেলে পড়ুয়াদের মারধরের অভিযোগে অস্বীকার করেছেন স্কুলের কর্ণধার বিশ্বনাথ বালা। তাঁর দাবি, ‘আমাদের স্কুলের কোনও পড়ুয়ারা মারধর করা হয় না। তবে পড়া না পারলে একটু-আধটু বকাঝকা করেন শিক্ষকরা।’ এদিকে ওই আবাসিক স্কুল কর্ণধার আবার মঙ্গলকোটের চুরপুনি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলে জানা গিয়েছে।

ছবি: জয়ন্ত দাস

[আরও পড়ুন: বনাঞ্চলে পরিখা কেটেই দাঁতালের তাণ্ডব থেকে সমাধানের পথ খুঁজছে পুরুলিয়ার বনবিভাগ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং