Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
রেশন

লকডাউনে সস্তায় রেশনের আটা কিনে চড়া দামে বিক্রি! গ্রেপ্তার ব্যবসায়ী

যে ডিলারের থেকে আটা কিনতেন অভিযুক্ত ব্যবসায়ী, তাঁর খোঁজে শুরু তল্লাশি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২০, ২০:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২০, ২০:৪৫

options
link
লকডাউনে সস্তায় রেশনের আটা কিনে চড়া দামে বিক্রি! গ্রেপ্তার ব্যবসায়ী zoom
Advertisement

সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: রেশনের রাশি রাশি আটার প্যাকেট সস্তায় কিনে মজুত করা হত ব্যক্তিগত গোডাউনে। তারপর সেই আটা বস্তাবন্দি করে চড়া দামে বাজারে বিক্রি করছিলেন ব্যবসায়ী। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই অভিযুক্ত ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সিল করা হয়েছে তাঁর গোডাউন। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিষ্ণুপুর থানার আমতলা-বারুইপুর রোডের। 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, লকডাউনে বিষ্ণুপুরের আমতলা-বারুইপুর রোডের চ্যাটার্জীপাড়া এলাকার সব দোকান বন্ধ থাকলেও বুধবার একটি চালের দোকান খোলা দেখতে পান স্থানীয়রা। তবে অর্ধেক শাটার নামানো ছিল। সন্দেহ হওয়ায় দোকানটিতে ঢুঁ মারেন স্থানীয়রা। তখনই তাঁরা দেখেন যে, অর্ধেক বন্ধ ওই দোকান ও পাশের গোডাউনের ভিতর বসে কয়েকজন মিলে রেশনের আটার প্যাকেট কেটে সেই আটা বড় বড় বস্তায় ভরছেন! স্থানীয় বাসিন্দারা জিজ্ঞাসাবাদ করতে প্রথমে কিছু বলতে না চাইলেও চেপে ধরতেই বিষয়টি খোলসা করেন গোডাউনের কর্মীরা। তাঁদের কথা শুনেই শুনে চোখ কপালে ওঠে বাসিন্দাদের।

Advertisement

স্থানীয় বাসিন্দা সুজিত মণ্ডল, অসীম সর্দাররা জানিয়েছেন, ওই চালের দোকানের মালিক সুপ্রিয় মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে রেশনের চাল, আটা, গম চোরাপথে কম দামে কিনে বেশি দামে বাজারে বিক্রি করতেন। এদিন রেশনের আটার প্যাকেট কেটে বস্তাবন্দী করার সময় ওই ব্যবসায়ীর কীর্তিকলাপ হাতেনাতে ধরে ফেলেন তাঁরা। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত দোকানদারকে গ্রেপ্তার করে এদিনই আলিপুর আদালতে তোলা হয়েছে। কিন্তু কীভাবে তিনি রেশনের আটার প্যাকেট এভাবে মজুত করতেন? কোন ডিলারের থেকে কিনতেন? কতদিন ধরেই বা চলছে এই ব্যবসা? তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সিল করে দেওয়া হয়েছে গোডাউন।

[আরও পড়ুন: পুঁজি সদিচ্ছা, ছবি এঁকেই হস্তশিল্পীদের সাহায্য করছেন মেডিক্যাল পড়ুয়া]

এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এলাকায়। সাধারণ মানুষের কথায়, ঘোর দুর্যোগের সময় মানুষ যখন রেশন পাচ্ছেন না তখন এভাবেই রেশন থেকে চোরাপথে সমস্ত মালপত্র চলে আসছে খোলাবাজারে!  এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস জানান, দিনের পর দিন তাঁরা অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন রেশনের মালপত্র সাধারণ মানুষকে না দিয়ে এভাবেই চোরাপথে চলে আসছে খোলাবাজারে। পুলিশ ও প্রশাসন তাতে কান দেয়নি। এদিনের ঘটনা তাঁদের সেই অভিযোগকেই সত্যি প্রমাণ করল। এই চোরাকারবারের সঙ্গে জড়িতদের চরম শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

[আরও পড়ুন: ৩৪৯ কিমি পথ হাঁটাই সার, বাড়ির বদলে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে ঠাঁই পরিযায়ী শ্রমিকদের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.