আকাশনীল ভট্টাচার্য, বারাকপুর: কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতে ক্যাব চালককে খুনের অভিযোগ উঠল এক দম্পতির বিরুদ্ধে। বুধবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহে। পুলিশের দাবি, ইতিমধ্যেই ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়েছে অভিযুক্তরা। ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের সন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে খড়দহ থানার পুলিশ।
[আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত সদস্যার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে কাটমানি ফেরতের দাবি, উত্তপ্ত পটাশপুর]
পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার রাতে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন খড়দহ এলাকায় একটি গাড়ি দুর্ঘটনার খবর পান খড়দহ খানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে গিয়ে গাড়ির পাশ থেকেই এক যুবকের নলিকাটা দেহ উদ্ধার করে তাঁরা। তখনই নজরে পড়ে, গাড়ির পাশ দিয়েই এক মহিলা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। একইসঙ্গে এক ব্যক্তিকে দৌড়ে লরিতে উঠতেও দেখেন তাঁরা। এতেই সন্দেহ হয় পুলিশের। এরপরই পিছু করে ওই মহিলাকে ধরে ফেলেন পুলিশ আধিকারিকরা। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই প্রিন্টার কুর্মির নামে এক ব্যক্তির হদিশ পান তদন্তকারীরা। দু’জনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই চাঞ্চল্যকর তথ্য পান পুলিশ আধিকারিকরা।
জানা গিয়েছে, টালা পার্ক এলাকার বাসিন্দা ধৃত সীমা শর্মা, প্রিন্টার কুর্মির নামে ওই দম্পতি। ওই এলাকার বাসিন্দা পেশায় ক্যাব চালক সুজিত কুমার সাউ দীর্ঘদিন ধরেই উত্যক্ত করতেন সীমাকে। একাধিকবার বারণ করার পরও তাতে কোনও কাজ হয়নি। এরপরই ওই দম্পতি যুবককে খুনের ছক কষেন। সেই মতোই বুধবার রাতে সুজিতের ক্যাবেই খড়দহে যায় তারা। সেখানেই ধারাল অস্ত্র দিয়ে সুজিতকে খুন করে তারা। পুলিশ সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে খুনে ব্যবহৃত ছুরিটি। কিন্তু, উত্যক্ত করার কারণেই কি খুন? নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে ঘটনার পিছনে, তা জানতে তদন্ত মৃতের পরিবার ও প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।
[আরও পড়ুন: ব্যাগের ভিতরে উদ্ধার যুবতীর কাটা মুন্ডু ও দেহাংশ, ব্যাপক চাঞ্চল্য বালির জেটিয়া ঘাটে]
সর্বশেষ খবর
-
‘যৌন আবেদনময়ী পোশাক’, নার্সিং পেশা নিয়ে বোমা ফাটালেন ‘ক্যুইন’ কঙ্গনা
-
বহু দেশের তুলনায় ভারতে ‘সস্তা’ এলপিজি, দামবৃদ্ধির পর সাফাই কেন্দ্রের
-
উত্তরবঙ্গে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, বুধবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বাড়বে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা
-
গ্রেপ্তার ফলতার জাহাঙ্গির খান, বেঙ্গল এসটিএফের জালে ‘পুষ্পা’
-
‘সিদ্ধান্ত আমিই নিই, নেতানিয়াহুর কোনও ভূমিকা নেই’, ইরান হামলায় চটে লাল ট্রাম্প, কোন পথে চুক্তি?