BREAKING NEWS

২৬ শ্রাবণ  ১৪২৭  মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

অমানবিক! দাবি মতো টাকা না দেওয়ায় ট্র্যাকশন থেকে টেনে হিঁচড়ে খুলে নেওয়া হল রোগীর পা

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: July 8, 2020 2:39 pm|    Updated: July 8, 2020 2:54 pm

An Images

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: দাবি মতো টাকা দিতে না পারায় টেনে হিঁচড়ে সদ্য অস্ত্রোপচার হওয়া এক রোগীর পায়ের ট্র্যাকশন খুলে নিল আয়া! অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে (Burdwan Medical College)। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত আয়াকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

 

জানা গিয়েছে, বর্ধমানের (Bardhaman) সিজেপাড়ার বাসিন্দা শেখ আনোয়ার। গাছ থেকে পড়ে গিয়ে বাঁ পা ভেঙে গিয়েছিল তাঁর। ২৪ জুন ভরতি করা হয়েছিল বর্ধমান মেডিক্যালের জরুরি সিবিএস পুরুষ বিভাগে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সঙ্গে সঙ্গে তাঁর অস্ত্রোপচার করেন ডাক্তাররা। অস্ত্রোপচার সফল হওয়ায় ফের তাঁকে পূর্বের ওয়ার্ডে পাঠানো হয়। তবে ডাক্তাররা আনোয়ারের পা-টি ঝুলিয়ে রাখতে বলেছিলেন। সেই মতো ট্র্যাকশন দেওয়ার সমস্ত জিনিস কিনে আনেন ওই ব্যক্তির ভাই। হাসপাতালের আয়া মানা মহন্ত তা লাগিয়েও দেয়। কিন্তু পরিবর্তে ২০০ টাকা দাবি করেন। দরিদ্র ওই পরিবারের তরফে সেই দাবি পূরণ করা সম্ভব ছিল না, তবে ১০০ টাকা দিতে চেয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু তা নিতে রাজি হয়নি ওই আয়া। এরপরই ক্ষোভের বশে টেনে হিঁচড়ে রোগীর পায়ের ট্র্যাকশনটি খুলে দেয় সে। যন্ত্রনায় আর্তনাদ করে ওঠেন আনোয়ার।

[আরও পড়ুন: ফের উত্তপ্ত ভাটপাড়া, অর্জুন সিংয়ের বাড়ির পাশে বোমাবাজি ‘তৃণমূল’ আশ্রিত দুষ্কৃতীদের]

এরপরই বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানায় রোগীর পরিবারের সদস্যরা। লিখিত অভিযোগও করেন। রোগীর ভাইয়ের কথায়, “আমাদের আর্থিক সামর্থ্য ছিল না ওনার দাবি মতো টাকা দেওয়ার। তবে যতটা সম্ভব দেব বলেছিলাম। তা নিতে উনি রাজি হননি। উলটে দাদার সঙ্গে চূড়ান্ত অমানবিক ব্যবহার করেছে।” এ প্রসঙ্গে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার প্রবীর সেনগুপ্ত বলেন, ‘‘বিষয়টি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। আমরা অভিযুক্ত আয়াকে বরখাস্ত করেছি।” সরকারি হাসপাতালে এহেন ঘটনায় প্রশ্নের মুখে রোগীদের নিরাপত্তা।

[আরও পড়ুন: করোনা কেড়েছে স্বামীর প্রাণ, দিশেহারা হয়ে দুই মেয়েকে নিয়ে রেললাইনে ঝাঁপ গৃহবধূর]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement