২৫ কার্তিক  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১২ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

২৫ কার্তিক  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১২ নভেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

শংকরকুমার রায়, রায়গঞ্জ: স্ত্রীর যৌনাঙ্গে মদের বোতল ঢুকিয়ে পাশবিক অত্যাচারের অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে।  জানাজানি হতেই অভিযুক্ত স্বামীকে গাছে বেঁধে বেধড়ক মারধর গ্রামবাসীদের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে  সোমবার দিনভর উত্তপ্ত উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের কমলাবাড়ি ২ নম্বর পঞ্চায়েতের ঠনঠুনিয়া মোড় এলাকা।  খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। ওই মহিলার স্বামী ও শাশুড়িকে উদ্ধার করে। আপাতত তাদের রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। নির্যাতিতা বধূর মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

[আরও পড়ুন: ইভটিজিংয়ের বিরোধিতা, যুবকদের মারে মৃত্যু প্রতিবাদীর]

মাত্র মাসতিনেক আগে রায়গঞ্জের বড়ুয়া পঞ্চায়েতের গোলইসোরা গ্রামের বাসিন্দা বছর কুড়ির মীরার সঙ্গে বিয়ে হয় ঠনঠুনিয়ার বাসিন্দা অমর বিশ্বাসের। স্বামী পেশায় রাজমিস্ত্রি। শারীরিকভাবে ওই তরুণী তাঁর স্বামীকে সন্তুষ্ট করতে পারে না বলেই অভিযোগ স্বামীর। তার জেরে নববধূকে মানসিক অত্যাচার করত অমর। মারধরও করত বলেই অভিযোগ। রবিবার লক্ষ্মীপুজোর রাতে মদ্যপ স্বামীর শারীরিক নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। ক্রমেই অত্যাচার পাশবিক পর্যায়ে পৌঁছয় ওই রাতে। অভিযোগ, রীতিমতো আস্ত কাঁচের বোতল স্ত্রীর গোপনাঙ্গে ঢুকিয়ে দেয় সে। নববধূর চিৎকার শুনে শ্বশুরবাড়ির কেউই তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করেনি বলেও অভিযোগ।  গৃহবধূর পরিবারের  আরও অভিযোগ, শারীরিক সম্পর্ক তৈরিতে ‘অক্ষম’ স্ত্রীকে আরও অত্যাচার করার পরামর্শ দেয় তাঁর শাশুড়ি। নির্মম অত্যাচারের শিকার গৃহবধূর বাবা সুবল ব্যাপারী বলেন, “আমার মেয়েকে বৃহন্নলাদের সঙ্গে তুলনা করে আমার জামাই। ওই অভিযোগে আমার মেয়েকে খুন করার চেষ্টা করেছিল। থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে।”

[আরও পড়ুন: নার্সিংহোমের বিল ১০ লক্ষ! টাকা মেটানোর চিন্তায় মরণঝাঁপ রোগীর]

সোমবার সকালে নির্মম অত্যাচারের ঘটনা জানাজানি হতেই প্রতিবেশীরা গৃহবধূর শ্বশুরবাড়িতে চড়াও হয়। অভিযুক্ত স্বামী-শাশুড়িকে বেঁধে বেধড়ক মারধর করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শেষ পর্যন্ত অভিযুক্ত স্বামী অমর বিশ্বাস ও শাশুড়ি সরস্বতী বিশ্বাসকে জখম অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভরতির ব্যবস্থা করে পুলিশ। আপাতত পুলিশি ঘেরাটোপে অভিযুক্তদের চিকিৎসা চলছে। নির্যাতিতারও চিকিৎসাধীন।  পুলিশ সুপার সুমিত কুমার বলেন, ‘‘অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে গৃহবধূর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।”

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং