ধীমান রায়, কাটোয়া: ছাত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে শিক্ষকের। স্রেফ এই সন্দেহের বশে শিক্ষকের বাড়ি ঘেরাও করে ব্যপক ভাঙচুর চালাল স্থানীয়রা। উত্তেজিত জনতার হাত থেকে বাঁচতে বাড়ির ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে জখম হলেন শিক্ষক। তাঁর কোমর ও হাত ভেঙে গিয়েছে। আহত শিক্ষককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া থানার মণ্ডলহাটের।
কাটোয়া রাজমহিষী দেবী উচ্চ বিদ্যালয়ের পার্শ্বশিক্ষক রমেন তালুকদার। তিনি টিউশনও পড়ান। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাত ৯ টা নাগাদ এলাকার বেশকিছু লোকজন রমেনবাবুদের বাড়িতে চড়াও হয়। ব্যাপক তাণ্ডব করে তাঁরা। কেন এই হামলা? জানা গিয়েছে, সোমবার সন্ধেয় বছর ১৯-এর তরুণীকে বাইকে চাপিয়ে রমেনবাবু দাঁইহাট মোড়ের দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময় বেশকিছু স্থানীয় যুবক তাদের পথ আটকায়। ওই তরুণী কাটোয়া কলেজের প্রথমবর্ষের ছাত্রী। রমেনবাবুর কাছে ছাত্রী টিউশন পড়তেন। অভিযোগ, রমেনবাবুর সঙ্গে ওই তরুণীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে, এই সন্দেহ করে তখন একদফা ওই শিক্ষককে হেনস্তা করে যুবকরা। ছাত্রীর বাড়িতেও তারা জানায়। তারপর বেশকিছু লোকজন জড়ো হয়ে তাণ্ডব শুরু করে রমেনবাবুর বাড়িতে। ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। সেইসময় রমেনবাবু প্রাণ বাঁচাতে ছাদ থেকে ঝাঁপ দেন।
[আরও পড়ুন: ‘বর্গী এসে সব নিয়ে যাবে, কৃষকরা চোখের জল ফেলবে’, ফের কেন্দ্রকে খোঁচা মুখ্যমন্ত্রীর]
ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ রমেনবাবুকে উদ্ধার করে। ওই শিক্ষকের স্ত্রী সুচিত্রাদেবীর দাবি, শুধুমাত্র সন্দেহের বশে স্থানীয়রা তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। তার স্বামীকে মেরে ফেলার চেষ্টাও করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। প্রতিবেশীদের মধ্যে বিনয় দেবনাথ জানান, ওই তরুণীর সঙ্গে রমেনবাবুর সম্পর্ক ছিল। সেই কারণেই এই ঘটনা। যদিও তরুণীর পরিবার তা অস্বীকার করেছে।
[আরও পড়ুন: ‘বাংলাকে কলঙ্কিত করছেন ভাইপো’, বীরভূম থেকে কড়া আক্রমণ জেপি নাড্ডার]
সর্বশেষ খবর
-
ভরা কটালে জোয়ারের তোড়ে হলদি নদীতে নৌকাডুবি, সাঁতরে প্রাণে বাঁচালেন ১৫ যাত্রী
-
পুলিশকে গুলির পালটা এনকাউন্টার, জেল ভেঙে পালানো কুখ্যাত গ্যাংস্টার খতম পাঞ্জাবে
-
নেপাল বিপর্যয়ের মাস পেরলেও খোঁজ নেই, স্ত্রীকে পেতে মোদির দ্বারস্থ মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু
-
বানর সেনার চোখে চশমা-হাতে গদা, ‘মহাকাব্য শ্রী রামায়ণ কথা’ পোস্টার ঘিরে হাসির রোল নেটভুবনে
-
কবাডিতে জোড়া সোনা, ৭ মেডেলে এশিয়াডে ভারতের ‘সেরা’ দিন, পদকতালিকায় কোথায় দাঁড়িয়ে?