Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Uluberia

SIR শুনানিতে আসতেই পলাতক আসামিকে তুলে নিয়ে গিয়ে ‘খুন’ শত্রু গ্যাংয়ের! চাঞ্চল্য উলুবেড়িয়ায়

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আসগার বছরখানেকের বেশি সময় পলাতক ছিল।‌ বর্তমানে উলুবেড়িয়ার কুলগাছিয়া এলাকায় থাকছিলেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ১৫:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ১৫:১৪

options
link
SIR শুনানিতে আসতেই পলাতক আসামিকে তুলে নিয়ে গিয়ে ‘খুন’ শত্রু গ্যাংয়ের! চাঞ্চল্য উলুবেড়িয়ায় zoom

এসআইআর শুনানিতে ডাক এসেছিল পলাতক আসামির! তা উপেক্ষা করতে পারেননি। আর সেই শুনানিতে আসা মাত্র সেখান থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। মৃতের নাম শেখ আসগার (৬২)। তিনি শ্যামপুরের ডিহিমন্ডল ঘাট এলাকার বাসিন্দা। পরিবারের অভিযোগ, মঙ্গলবার দুপুরে শেখ আসগার এসআইআরের শুনানির জন্য এসেছিলেন বড়দাবাড় গ্রাম পঞ্চায়েতে। অভিযোগ, প্রতিবেশী শেখ সাদ্দাম, শেখ সাবির-সহ কয়েকজন আসগারকে দেখতে পেয়েই তুলে নিয়ে যান। শুরু হয় ব্যাপক মারধর। ঘটনার খবর পেয়েই শ্যামপুর থানার পুলিশ খবর পেয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। আহত অবস্থায় প্রথমে ঝুমঝুমি গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসা করায়। পরে শ্যামপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু রাতে পরিবারের লোককে খবর দেওয়া হয় আসগার অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাঁকে ফের ঝুমঝুমি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিবারের লোকেরা হাসপাতালে গেলে চিকিৎসকরা জানান, আজগার মারা গিয়েছেন। এরপরেই পরিবারের পক্ষ থেকে শ্যামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আসগার বছরখানেকের বেশি সময় পলাতক ছিল।‌ বর্তমানে উলুবেড়িয়ার কুলগাছিয়া এলাকায় থাকছিলেন তিনি। এসআইআরে শুনানিতে তিনি এলাকায় ঢুকেছিলেন। আর তাতেই বিপত্তি! পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সাদ্দাম, সাবিরদের সঙ্গে আসগারের একটা ঝামেলা হয়েছিল। আসগার সাদ্দামদের একজনকে কাটারি দিয়ে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। তারপর থেকেই আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না আসগারের।  এই নিয়ে শ্যামপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়। 

Advertisement

আসগারের ভাইপো শেখ সাইফুদ্দিন বলেন, ”মঙ্গলবার আমিও এসআরের শুনানির লাইনে ছিলাম। তখনই জানতে পারি আমার কাকাকে সাদ্দামরা তুলে নিয়ে গিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারে গেলে দেখি সাদ্দামদের পরিবারের লোকেরা ছুরি কাটারি নিয়ে ঘোরাঘুরি করছিল। কাউকে কাছে ঘেষতে দেয়নি। ফলে আমরা উদ্ধার করতে পারিনি কাকাকে। তারপর খবর দেওয়া হয় শ্যামপুর থানায়। পুলিশ এসে উদ্ধার করে কাকাকে।” কিন্তু কীভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ল তা জানেন না বলে জানান শেখ সাইফুদ্দিন। তাঁর কথায়, পুলিশই শেখ আসগারকে চিকিৎসা করায়। কিন্তু কীভাবে অসুস্থ হয়ে মৃত্যু জানি না। ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ পুলিশ যাতে তদন্ত করে সেই দাবিও জানান শেখ সাইফুদ্দিন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.