সন্দীপ চক্রবর্তী: করোনা (Coronavirus) কাঁটা উপড়ে ফেলে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে সব। ৬ সেপ্টেম্বর থেকে খুলে যাচ্ছে রাজ্যের সব সরকারি গ্রন্থাগারগুলি (Library)। এই মর্মে ২ তারিখ বিজ্ঞপ্তি জারি হয় গ্রন্থাগার বিভাগের তরফে। রাজ্যের সব জেলায় পাঠানো হয়েছে সেই বিজ্ঞপ্তি। সেইমতো আগামী ৬ তারিখ থেকে সপ্তাহে তিনদিন জেলার গ্রন্থাগারগুলির দরজা খুলে দেওয়া হবে। ফের পুরনো বইয়ের প্রিয় গন্ধে মাতোয়ারা হয়ে ওঠার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন পুস্তকপ্রেমীরা।

বৃহস্পতিবার রাজ্যের গ্রন্থাগার বিভাগের ডিরেক্টরের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সপ্তাহে তিনদিন – সোম, বুধ, শুক্র খোলা থাকবে লাইব্রেরি। ৬ সেপ্টেম্বর থেকে সব গ্রন্থাগার এই নিয়ম মেনে খুলবে। তবে সরকারি ছুটির দিন তা বন্ধ থাকবে। তাছাড়া কোভিডবিধি (COVID-19) মেনে সপ্তাহে তিনদিন লাইব্রেরিতে পূর্ণ সময় কাটাতে পারবেন বইপ্রেমীরা। কর্মীদের ক্ষেত্রেও লাগু একই নিয়ম। একই এলাকায় একাধিক লাইব্রেরি চালনার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট পরামর্শ দিল সংশ্লিষ্ট দপ্তর। কর্মীদের দায়িত্বে যদি একাধিক লাইব্রেরি থাকে, তাহলে কীভাবে কাজ করবেন, তা বলে দেওয়া হয়েছে।
[আরও পড়ুন: মুর্শিদাবাদে বিক্ষোভের মুখে Adhir Ranjan Chowdhury, দেখানো হল কালো পতাকা]
কোনও এলাকায় একটি লাইব্রেরি থাকলে কাজে কোনও অসুবিধা নেই। কিন্ত একাধিক গ্রন্থাগারের ক্ষেত্রে কর্মীদের উপর চাপ পড়তে পারে। সে কথা মাথায় রেখে তাঁদের পরামর্শ দিয়েছেন গ্রন্থাগার বিভাগের ডিরেক্টর। একইসঙ্গে সপ্তাহে তিনদিন কাজ করতে হলে গ্রন্থাগারের কর্মীরা যেন ঘুরেফিরে কাজ করেন। একই ফর্মুলা লাইব্রেরি পরিচালকের ক্ষেত্রেও। এলাকায় একাধিক লাইব্রেরির দায়িত্ব থাকলে রোটেশন পদ্ধতিতে কাজ করতে হবে। করোনার দ্বিতীয় ধাক্কার পর সতর্কতা অবলম্বনে মাঝে বেশ কয়েক মাস বন্ধ ছিল রাজ্যের গ্রন্থাগারগুলি। পরবর্তীতে কোভিড সংক্রান্ত বিধিনিষেধ ধীরে ধীরে শিথিল করার পথে হেঁটেছে রাজ্য সরকার। সেই পর্যায়েই খুলে যায় লাইব্রেরি। এবার অনেকটা স্বাভাবিকের পথে ফিরছে রাজ্যের সরকারি বা সরকার পোষিত এবং সাহায্যপ্রাপ্ত গ্রন্থাগারগুলি।
[আরও পড়ুন: COVID-19: মোবাইলে ব্যস্ত নার্স, মালবাজারে একই ব্যক্তিকে পরপর তিনবার দেওয়া হল টিকা]
সর্বশেষ খবর
-
একশোর বদলে পাঁচশোর নোটের টোপ! কমিশনের লোভে ব্যবসায়ী পেলেন সাদা কাগজের টুকরো
-
তৃণমূল জমানায় অবহেলা! দুর্যোগ-বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গকে স্বমহিমায় ফেরাতে আড়াইশো কোটি বরাদ্দ শুভেন্দুর
-
নিজের গড় রেজিনগরেই হারের ভয়! উপনির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল মহাজোট চাইছেন হুমায়ুন
-
আপত্তি শুধু ‘সেক্যুলার’ কংগ্রেসের! নিয়ম মেনে বন্দে মাতরম পুরোটা দাঁড়িয়ে সম্মান আবদুল্লাদের
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থীই দিতে পারবে না তৃণমূল? সর্বদলীয় বৈঠকে গড়হাজিরায় উঠছে প্রশ্ন