৭ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৪ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

পুলিশকে নিয়ে ‘আপত্তিকর’ মন্তব্য, দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে জারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: November 14, 2020 11:39 am|    Updated: November 14, 2020 11:39 am

An Images

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: ঘোর বিপাকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। মেদিনীপুরের সাংসদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করল বর্ধমান আদালত (Burdwan Court)। প্রায় বছরখানেক আগে দিলীপের বিরুদ্ধে পুলিশকে নিয়ে আপত্তিকর এবং উসকানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছিল। সেই মামলাতেই এবার গ্রেপ্তারির খাঁড়া ঝুলছে বিজেপির রাজ্য সভাপতির ঘাড়ে।

গতবছর ৪ নভেম্বর বর্ধমানের রায়না এলাকায় একটি সভায় পুলিশের বিরুদ্ধে রীতিমতো বিষোদ্গার করেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি। ওই সভায় দিলীপকে বলতে শোনা যায়, “রাজ্যের পুলিশকর্মীরা (West Bengal Police) আকন্ঠ দুর্নীতিতে ডুবে। টাকা না দিলে পুলিশের চাকরি মেলে না। প্রমোশনের জন্যও পুলিশকে টাকা দিতে হয়। এসপি থেকে ওসি সকলকে টাকা তুলতে হয় এবং সেই টাকা যায় তৃণমূলের পার্টি অফিসে।” এই বিতর্কিত মন্তব্যের জন্যই বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন রায়নার সেহারাবাজার ফাঁড়ির এক পুলিশকর্মী। তাঁর অভিযোগ ছিল, দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য পুলিশের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। সাধারণ মানুষের মনে পুলিশের প্রতি বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে, এবং পুলিশকর্মীদের মনোবলে চিড় ধরিয়েছে।

[আরও পড়ুন: বাংলা জয় করতে ফের কৈলাস বিজয়বর্গীয়র উপরেই আস্থা রাখল বিজেপি]

সেই পুলিশকর্মীর অভিযোগের ভিত্তিতেই দিলীপের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেই এই মামলার চার্জশিট পেশ করে পুলিশ। আদালতে বিজেপি রাজ্য সভাপতির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়। শুক্রবার সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে বর্ধমান আদালত। যদিও এই গ্রেপ্তারির সম্ভাবনাকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছেন না মেদিনীপুরের সাংসদ। তিনি বলছেন, “আমার বিরুদ্ধে প্রতিদিনই কোনও না কোনও মামলা দায়ের হচ্ছে। এই বিষয়টি জানা নেই। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়ে থাকলে আদালতে জামিনের আবেদন করব।” বস্তুত বঙ্গ রাজনীতিতে দিলীপ ঘোষ আর বিতর্ক যেন সমার্থক। একাধিকবার রাজ্য পুলিশকে তিনি তৃণমূলের দলদাস বলে তোপ দেগেছেন। এমনকী, ক্ষমতায় এলে এদের ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকিও দিয়েছেন। কিন্তু এবার এমনই এক বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য বিপাকে পড়তে হল তাঁকে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement