Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
বাবুল সুপ্রিয়

রিগিংয়ের জন্য আসানসোল থেকে তৃণমূল কর্মীরা বাঁকুড়ায়, অভিযোগে বাকযুদ্ধ বাবুল-জিতেন্দ্রর

কেন্দ্রীয় বাহিনীকে হাতে রাখতে ঢালাও পান-ভোজনে ব্যবস্থাও আছে, অভিযোগ বাবুলের৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০১৯, ১৯:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০১৯, ১৯:৩৬

options
link
রিগিংয়ের জন্য আসানসোল থেকে তৃণমূল কর্মীরা বাঁকুড়ায়, অভিযোগে বাকযুদ্ধ বাবুল-জিতেন্দ্রর zoom

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়দুর্গাপুর: ষষ্ঠ দফায় বাঁকুড়া, পুরুলিয়া-সহ রাজ্যের ৮ কেন্দ্রে ভোটের আগে ফের বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন বাবুল সুপ্রিয়র। তাঁর অভিযোগ, পশ্চিম বর্ধমানের বিভিন্ন জায়গা থেকে তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ওই দুই জেলায়। ভোটের দিন রিগিং সহজ করতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য ঢালাও খাদ্য-পানীয়ের আয়োজন করা হয়েছে৷ এবং এসবের পিছনে আসানসোলের মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারিকেই দায়ী করেছেন আসানসোলের বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়৷ তাঁর নেতৃত্বেই তৃণমূল কর্মীরা ঢুকেছেন এই দুই জেলায় বলে দাবি বাবুলের।

[আরও পড়ুন: যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত খুনের আসামির রহস্যমৃত্যু, বিষ খেয়ে আত্মহত্যা বলে অনুমান]

শনিবার বাবুল সুপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া এবং তাঁর নিজের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে তিনি এই অভিযোগ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া জেলায় ভোটের দিন রিগিং করতে পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলের রেলপাড়, বার্ণপুর ও কাঁকসা থেকে তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে যাওয়ার জন্য অন্তত ১০টি বাসের ব্যবস্থা হয়েছে। আসানসোলের মেয়র ও পান্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে তৃণমূলের হয়ে প্রচারের দায়িত্বে ছিলেন। জিতেন্দ্র তিওয়রিই এই কর্মীদের সেখানে নিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাবুল। তাঁর আরও অভিযোগ, এই দুই জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কব্জা করতে ঢালাও পান-ভোজনের আয়োজন করা হয়েছে৷ বাবুল সুপ্রিয় বলেন, ‘এই ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েই দেখছে দল। কমিশনের কাছেও অভিযোগ করা হয়েছে।’

Advertisement

[আরও পড়ুন: জঙ্গলমহলের ভোটে মাওবাদী প্রভাবিত এলাকায় কড়া নজর কমিশনের]

বাবুল সুপ্রিয়র এই অভিযোগ কানে গিয়েছে আসানসোলের মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারির। তিনি এই সম্পর্কে বলতে গিয়ে কটাক্ষ করে বলেন, ‘ওনার প্রতি আমার পরামর্শ, উনি আগামী ২৩ মে ফলাফলের জন্যও কিছু অভিযোগ বাঁচিয়ে রাখুক। হেরে যাওয়ার পর বাহানা তৈরি করতে তখন কাজে লাগবে। মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করে কমিশনে পাঠানো যেতে পারে, কিন্তু তাতে মানুষের মন জয় করা যায় না, তা ফলাফলের পরই বুঝবে বিজেপি।’ ভোট মিটে যাওয়ার পরও কিন্তু আসানসোলের এই দুই যুযুধান নেতার লড়াই শেষ হচ্ছে না, বাবুলের নতুন অভিযোগের পর সেটাই স্পষ্ট হয়ে গেল৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.