Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
এফআইআর

বিতর্কিত গানের জের, বাবুল সুপ্রিয়র বিরুদ্ধে জোড়া এফআইআর কমিশনের

নয়া বিপাকে বাবুল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০১৯, ২০:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০১৯, ২০:১১

options
link
বিতর্কিত গানের জের, বাবুল সুপ্রিয়র বিরুদ্ধে জোড়া এফআইআর কমিশনের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও প্রচারে বেরিয়ে বিতর্কিত গান বাজানোর অভিযোগ উঠেছিল বাবুল সুপ্রিয়র বিরুদ্ধে। ওই গান বাজিয়ে প্রচারের সময় এক নির্বাচনী আধিকারিক ভিডিও তুলেছিলেন, তাঁর হাত থেকে ক্যামেরাও ছিনিয়ে নেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এর জেরে সোমবার আসানসোলের বিজেপি প্রার্থীর নামে জোড়া এফআইআর দায়ের করল নির্বাচন কমিশন।

[আরও পড়ুন-‘মেরে ঠ্যাং ভেঙে দেবে বাংলার মানুষ’, অমিত শাহকে হুঁশিয়ারি ফিরহাদের]

লোকসভার প্রচারের কাজে ব্যবহার করার জন্য একটি গান রেকর্ড করেন বাবুল।অভিযোগ, সেই গানটির মাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রাজ্যের শাসকদল এবং মুখ্যমন্ত্রী ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে। এরপরই শুরু হয় বিতর্ক। একের পর অভিযোগও দায়ের হয় রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে। অভিযোগ ওঠে কমিশনের কাছ থেকে অনুমোদন না নিয়েই বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে গানটি ব্যবহার করছে রাজ্য বিজেপি। শেষ পর্যন্ত গানটিকে অনুমোদন দেওয়ার জন্য সিইও অফিসে আবেদন জানান বিজেপি নেতা সঞ্জয় সিং। রাজ্য বিজেপির তরফে গানের কথা নিয়ে আবেদন জমার পর সেটি খতিয়ে দেখে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের নির্দিষ্ট কমিটি। সেই কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, পালটাতে বলা হবে গানের কথা। সেই অনুযায়ী চিঠি দিয়ে রাজ্য বিজেপিকে তা জানিয়েও দেওয়া হয়। বলা হয়, আপত্তিকর শব্দগুলি বাদ দিয়ে নতুন করে অনুমতিপত্র পাঠালে তা গ্রহণযোগ্য হবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন-বারাকপুরে তৃণমূলে ভাঙন, অর্জুনের হাত ধরে বিজেপিতে বিধায়কের ছেলে]

কিন্তু, সেই সুপারিশ না মেনে উলটে সিইও অফিসকেই পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিযোগ করে বিজেপি। গানটির কথা অপরিবর্তিত রেখে তা অনুমোদনের ফের আবেদন জানানো জানানো হয়। শেষ পর্যন্ত অবশ্য গানটি নিষিদ্ধ করে কমিশন। বিজেপির কোনও কর্মসূচিতে ওই গান ব্যবহার করা যাবে না বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়। বলা হয় শুধু মিটিং, মিছিল কিংবা জমায়েত নয়, সোশ্যাল মিডিয়াতেও ব্যবহার করা যাবে না আসানসোলের বিদায়ী সাংসদের ওই বিতর্কিত গানটি।

[আরও পড়ুন-শান্তনুর নাম না করেই প্রচার যোগীর, নেপথ্যে অন্তর্কলহ দেখছেন দলের একাংশ]

কমিশনের তরফে নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পরেও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিজেপির প্রচারে ওই গান ব্যবহার করা হতে থাকে। ফলে ফের কমিশনের কাছে অভিযোগ জানায় অন্যদলগুলি। এমনকী ওই গান বাজিয়ে প্রচার করার সময় নির্বাচনের দায়িত্ব থাকা এক আধিকারিক ভিডিও তুলেছিলেন। তাঁর হাত থেকে ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও ওঠে বাবুলের বিরুদ্ধে। এরপরই নড়েচড়ে ওঠে বসে কমিশন। সোমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র নামে এই দুটি অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের করে তারা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.