দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: রাজনৈতিক সংঘর্ষ, সন্ত্রাস – এসব প্রায় নিত্যদিনের পরিচিত ছবি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়। তা মাথায় রেখে আগামী বিধানসভা ভোটের আগে শক্তিশালী অস্ত্র ভাঁড়ারে আনল বারুইপুর (Baruipur) জেলা পুলিশ। এল অত্যাধুনিক কামান (Cannon) ‘বজ্র’। এবার সন্ত্রাস রুখে দেওয়া কয়েক মুহূর্তের ব্যাপার, আশাবাদী পুলিশ।
বারুইপুর জেলা পুলিশের আওতায় এতদিন এই ধরনের কোনও আধুনিক কামান ছিল না। এই বিশেষ ধরনের কামানের মধ্যে একদিকে যেমন জলকামানের (Water cannon) ব্যবস্থা থাকছে, তেমনি অন্যদিকে মেশিনগান রাখা হয়েছে। নতুন এই কামানে থাকছে বেশ কিছু আধুনিক ব্যবস্থা। সাধারণ ছোটখাটো মানের বোমা বা গুলি এই কামানের কোনওরকম ক্ষতি করতে পারবে না। অথচ কামান থেকেই একনাগাড়ে শত্রুপক্ষের উদ্দেশে গুলি চালানো সম্ভব। এই কামানগুলি মূলত দাঙ্গা প্রতিরোধে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
[আরও পড়ুন: ‘আমি বাংলার ছেলে, মানুষের কাজ করব’, রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনার মাঝেই মন্তব্য শুভেন্দুর]
শুধু তাই নয়, ভিড়ের মধ্যে থেকে জলকামান হিসেবে থেকে ছত্রভঙ্গ করতে যথেষ্ট পারদর্শী এই ‘বজ্র’। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর জেলার বিভিন্ন অংশে বিশেষ করে যে সমস্ত এলাকাগুলিতে রাজনৈতিক গন্ডগোল, সংঘর্ষ লেগেই থাকে, সেই এলাকাগুলিতে এই কামানের ব্যবহার খুবই কার্যকরী হবে বলে আশাবাদী জেলা পুলিশ।
[আরও পড়ুন: ‘মতুয়াদের উন্নতি চাইলে তৃণমূলে আসুন’, বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরকে আহ্বান জ্যোতিপ্রিয়র]
বৃহস্পতিবার ক্যানিং থানার গোলাবাড়ি এলাকায় আধুনিক কামান ‘বজ্র’ নিয়ে রোডমার্চ করে পুলিশের বিশেষ দল। জানা গিয়েছে, কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার কয়েক মুুহুূর্তের মধ্যে জেলার প্রতিটি থানায় এই কামান পৌঁছে যাবে। আগে কলকাতা পুলিশের থেকে অথবা বিধাননগর কমিশনারেট থেকে এই কামান এনে উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হতো। কিন্তু এবার বারুইপুর পুলিশের ভাঁড়ারেই এল এই অত্যাধুনিক কামান।
দেখুন ‘বজ্র’র ভিডিও:
সর্বশেষ খবর
-
আজ যাদবপুরে ‘গেরুয়া সম্মান যাত্রা’, আমজনতার সঙ্গে মিছিলে হাঁটবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু
-
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বেতন পাওয়া প্রধানমন্ত্রীর মাইনে একলাফে বাড়ল আরও ৬০ শতাংশ!
-
এমবাপের রেকর্ডের দিনে লাল কার্ড ভাই ইথানকে, বিশ্বকাপের পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও হালান্ডের গোলবন্যা
-
মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া, অনুদান না নিয়ে শুভেন্দুকে ‘রিটার্ন গিফট’ পুজো উদ্যোক্তাদের
-
‘চাকরি ছাড়ুন, নাহলে মরুন’, লস্করের হুমকিতে উদ্বিগ্ন ৭০০০ কাশ্মীরি পণ্ডিত