Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Birbhum

সমকামের তাড়না! স্বামী-সন্তানকে ফেলেই বিহারের তরুণীর সঙ্গে ঘরছাড়া বীরভূমের বধূ

রামপুরহাট মহকুমা আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেন ওই মহিলা।

Advertisement
দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬, ০৯:৩০

link
দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬, ০৯:৩০

options
link
সমকামের তাড়না! স্বামী-সন্তানকে ফেলেই বিহারের তরুণীর সঙ্গে ঘরছাড়া বীরভূমের বধূ zoom
স্বামী-সন্তানকে ফেলেই বিহারের তরুণীর সঙ্গে ঘরছাড়া বীরভূমের বধূ। ছবি: সুশান্ত পাল

বিয়ের বয়স চার বছর। তিন বছরের পুত্রসন্তানও রয়েছে। আচমকা নতুন প্রেমে জড়িয়ে সংসারের মোহভঙ্গ। বিহারের তরুণীর প্রেমে পড়ে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত বীরভূমের বধূর। শুক্রবার রামপুরহাট মহকুমা আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেন ওই মহিলা। বধূর এই সিদ্ধান্তে মায়ের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ খুদে সন্তানেরও।

বিবাহবিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেছেন ইন্দ্রাণী দালাল। বীরভূমের মাড়গ্রামের বসোয়া গ্রামে জন্ম তাঁর। সেখানেই বেড়ে ওঠা। ইন্দ্রাণীর দাবি, ছোটবেলা থেকেই তিনি সমকামী। তবে পরিবারের লোকজন তাঁর কথায় আমল দিতেন না। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর থেকে বিয়ের জন্য পাত্র দেখতে শুরু করেন পরিজনেরা। ইতিমধ্যে নদিয়ার এক নাবালিকার সঙ্গে মন দেওয়া নেওয়া করেন ইন্দ্রাণী। প্রেমের টানে ওই নাবালিকাকে সঙ্গে নিয়ে আহমেদাবাদে পালিয়েও যান। পরিবারের লোকজন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ইন্দ্রাণী এবং ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করেন। বাড়ি ফিরে আসেন দু’জনে। সে সম্পর্ক অবশ্য আর বেশি দূর গড়ায়নি।

Advertisement

ইন্দ্রাণীর দাবি, ছোটবেলা থেকেই তিনি সমকামী। তবে পরিবারের লোকজন তাঁর কথায় আমল দিতেন না। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর থেকে বিয়ের জন্য পাত্র দেখতে শুরু করেন পরিজনেরা।

Couple
বিহারের তরুণীর টানে ঘরছাড়া বীরভূমের বধূ। ছবি: সুশান্ত পাল

ইন্দ্রাণীর দাবি, এই ঘটনার পর পরিবারের লোকজন আর কোনও কথাই শোনেননি তাঁর। কার্যত জোর করে গ্রামেরই এক যুবকের সঙ্গে তাঁর বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। স্বামীকে পুরোপুরি মন থেকে নাকি কোনওদিন মানতে পারেননি ইন্দ্রাণী। অবশ্য তিন বছর বয়সি এক পুত্রসন্তান রয়েছে তাঁর। বছরদুয়েক আগে সোশাল মিডিয়ায় বিহারের বাসিন্দা প্রীতি কুমারীর সঙ্গে আলাপ হয় ইন্দ্রাণীর। ঘন ঘন কথাবার্তা হত মেসেজে। ক্রমশ বাড়তে থাকে ঘনিষ্ঠতা। একসময় সম্পর্ক অন্য দিকে মোড় নেয়। দু’জনে একসঙ্গে থাকবেন বলে স্থির করেন। সম্পর্কের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়ায় স্বামী ও সন্তান। অনেক ভাবনাচিন্তার পর ইন্দ্রাণী স্থির করেন বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করবেন। অবশেষে শুক্রবার রামপুরহাট আদালতে গিয়ে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন জানান বধূ। বর্তমানে ঘরছাড়া ইন্দ্রাণী। পরিবারের লোকজনের দাবি, হয়তো প্রীতির সঙ্গেই কোথাও রয়েছেন তিনি। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.