অরূপ বসাক, মালবাজার: রাত পোহালেই শুরু রাজ্যের প্রথম দফার নির্বাচন। ঠিক তাঁর আগের দিন মালবাজারে সাংবাদিক সম্মেলন করে মালবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন সাহার বিরুদ্ধে নির্বাচন বিধিভঙ্গের অভিযোগ তুললেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। যদিও মুকুল রায়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন, দাবি স্বপন সাহার। বুধবার দুপুরে মালবাজারে একটি লজে কর্মিসভায় যোগ দেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখিও হন তিনি। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আগামিকাল আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রের ভোট। দুটি কেন্দ্রে তৃণমুল কংগ্রেস প্রার্থীরা বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হবেন। কারণ, এবার ভোটে কোনও সন্ত্রাস ছড়াতে পারবে না শাসকদল। পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে সব জায়গায়। নির্ভয়ে ভোট দেবেন সকলে।’
[আরও পড়ুন: রাহুলের মঞ্চে নেতা মিছিলের অভিষেক, ভোট চাইলেন মায়ের জন্য]
পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, মালবাজারের চেয়ারম্যান স্বপন সাহার নেতৃত্বে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিজেপির পোস্টার, ফ্লেক্স লাগানোর কাজে বাধা দিচ্ছে। এমনকী বিভিন্ন এলাকায় পোস্টার ছিঁড়েও ফেলা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাঁর। তিনি বলেন, ‘এটা নির্বাচন বিধি বিরোধী। তা সবার জানা উচিৎ। কেউ চিরকাল ক্ষমতায় থাকে না।’ সেখান থেকে বামেদেরও কটাক্ষ করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘সিপিএমও ভেবেছিল এভাবেই চলবে। কিন্তু, তা হয়নি।পরিবর্তন আসতে বাধ্য।’ তিনি বলেছেন, গোটা ঘটনা নির্বাচন কমিশনকে জানান হবে। তাঁর অভিযোগ, কিছু পুলিশ আধিকারিকও ঠিক মতো কাজ করছে না। সবই জানান হবে কমিশনে।এদিন তিনি বলেন, লোকসভা ভোটের পর একের পর এক বিধায়ক বিজেপিতে আসবেন। সবাই প্রাচীরের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছেন। সেইসঙ্গে চূঁচুড়ায় পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বাড়িতে আয়কর হানার প্রসঙ্গও টেনে আনেন তিনি।
[আরও পড়ুন: অনুব্রতর নকুলদানার পালটা মোয়ার দাওয়াই লকেটের়]
মুকুল রায়ের অভিযোগ প্রসঙ্গে স্বপন সাহা জানান, ‘মুকুল রায় একজন সর্বভারতীয় নেতা। তবে মালবাজারে তাদের কর্মী বা সংগঠন নেই। কাজের লোকও নেই। তাই তৃণমূলের নামে অপপ্রচার করছেন।’ সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আজ উনি এখানে এসেছেন তাতেও তাঁকে বাধা দেওয়া হয়নি। কেউ কিছু বলেনি। উনি সভা করছেন।’ আয়কর হানা প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ‘যে কোনও সময় আমার বাড়িতে তল্লাশি চালাক আয়কর দপ্তর। আমি তাদের অভ্যর্থনা করে সব দেখিয়ে দেব। শহরের সমস্ত মানুষ জানে আমি অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করি। অত্যন্ত স্বচ্ছ ভাবে থাকি। আয়কর বিভাগ যেকোনও সময় এসে দেখে যাক।’ উল্লেখ্য, ২০২০ সালে মালবাজার পুরসভার নির্বাচন। তার আগে মকুল রায়ের মন্তব্য ঠিক কতটা প্রভাব ফেলবে স্থানীয়দের মধ্যে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজনৈতিক মহল।
Advertisement
সর্বশেষ খবর
-
বদলে যাবে সোদপুর ও খড়দহ স্টেশনের নাম! রেলমন্ত্রকে প্রস্তাব মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তীর
-
অধিনায়কত্ব খোয়াচ্ছেন সূর্যকুমার, ভারতের নতুন টি-২০ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার!
-
এই ৬ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থগিত ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা! বড় সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তম উড়ান সংস্থার
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু
-
শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বরূপ বিশ্বাস, ডিম হাতে থানা ঘেরাও ক্রুদ্ধ জনতার