দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষার কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে বঙ্গ বিজেপির তরফে। যে কোনও রকম অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নেতৃত্ব। এবার তোলাবাজির অভিযোগে বিজেপি নেতাকে শোকজ করা হল। তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখলের চেষ্টা, প্রমোটারের থেকে মোটা টাকা দাবি-সহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটিতে।
এই বিষয়ে আরও খবর
ক্ষমতায় আসার এক মাসের মধ্যেই পানিহাটিতে বিজেপির অন্দরে একের পর এক অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে! সরকারি জমি দখলের চেষ্টা, প্রমোটারের কাছে পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি, বিজয় উৎসবের নামে তোলা এবং রাজনৈতিক সুরক্ষার আশ্বাস দিয়ে ‘প্রোটেকশন মানি’ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই অবস্থায় বিজেপি দলের একাংশই তথ্য-প্রমাণ-সহ রাজ্য নেতৃত্বের দ্বারস্থ হয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে একাধিক ছবি, অডিয়ো ও ভিডিও। দলীয় সূত্রের দাবি, অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই পানিহাটির ৩ নম্বর মণ্ডল সভাপতিকে শোকজ করেছে বিজেপির রাজ্য শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। জেলার নেতাদের একাংশের মতে, সাংগঠনিক শিথিলতার সুযোগেই এই ধরনের ঘটনা বাড়ছে।
বিক্ষুব্ধ কর্মীদের অভিযোগ, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে বেঙ্গল কেমিক্যাল সংলগ্ন এলাকায় ড্রেন ঢেকে সরকারি জমি দখলের চেষ্টা চলছে! সেখানে দোকান তৈরির প্রস্তুতির অভিযোগও উঠেছে। ১ নম্বর মণ্ডলের এক মহিলা নেত্রী ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে এক প্রমোটারের কাছে পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বিক্ষুব্ধ কর্মীদের অভিযোগ, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে বেঙ্গল কেমিক্যাল সংলগ্ন এলাকায় ড্রেন ঢেকে সরকারি জমি দখলের চেষ্টা চলছে! সেখানে দোকান তৈরির প্রস্তুতির অভিযোগও উঠেছে। ১ নম্বর মণ্ডলের এক মহিলা নেত্রী ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে এক প্রমোটারের কাছে পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ভাইরাল হয়েছে একটি কল রেকর্ডিং। যদিও সেই ভাইরাল কল রেকর্ডিংয়ের সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল। একই মণ্ডলে বিজয় উৎসব উপলক্ষে এক ব্যবসায়ীর কাছে ৪০ হাজার টাকা চাওয়ার অভিযোগে সামনে এসেছে একটি ভিডিও। সেই ভিডিওর সত্যতাও যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল।
জেলার এক প্রবীণ বিজেপি নেতার দাবি, রাজনৈতিক ও পুলিশি ঝামেলা থেকে রেহাই দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে কয়েকজন তৃণমূল নেতার কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে! তাঁর অভিযোগ, সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণের অভাবেই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এনিয়ে উত্তর শহরতলি জেলা বিজেপি সভাপতি চণ্ডীচরণ রায় জানিয়েছেন, কোথাও অনিয়ম প্রমাণিত হলে দল কঠোর ব্যবস্থা নেবে। ইতিমধ্যেই কয়েকটি ক্ষেত্রে পদক্ষেপ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও কাউকে রেয়াত করা হবে না। রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর দলীয় শৃঙ্খলা নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বারবারই তাঁর মুখে শোনা গিয়েছিল হুঁশিয়ারি – শৃঙ্খলা ভাঙলে দলের যত বড় নেতাই হোক না কেন, কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ক্ষমতায় এসেছে বলে যে কেউ যা খুশি করতে পারবে না।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
‘কাজ করলে পুরস্কার, না হলে বহিষ্কার’, জনকল্যাণ শিবিরে আধিকারিকদের কড়া বার্তা মন্ত্রীর
-
‘পাহাড়ে সব বন্ধ চা বাগান খুলবে’, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, আশায় বুক বাঁধছেন শ্রমিকরা
-
বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে লজ্জার হারের পর শাস্তির খাঁড়া! জরিমানার কোপে পাকিস্তান মহিলা দল
-
‘আমিরের তৃতীয় বিয়ের জন্য আদর্শ সাজ’, চরম কটাক্ষের শিকার প্রাক্তন স্ত্রী কিরণ রাও
-
দীর্ঘ ১৬ মাস পর সাক্ষাৎ, জি৭-এর মঞ্চে ‘বন্ধু’ মোদির সঙ্গে হাত মেলালেন ট্রাম্প, বৈঠক নিয়ে কৌতূহলী বিশ্ব



