Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
BJP

আসানসোলে ধসে ভাঙল বহু বাড়ি, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গিয়ে স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে Agnimitra Paul

উঠল 'গো ব্যাক' স্লোগান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১, ১৫:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১, ১৫:১৭

options
link
আসানসোলে ধসে ভাঙল বহু বাড়ি, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গিয়ে স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে Agnimitra Paul zoom

শেখর চন্দ, আসানসোল: আসানসোলের (Asansol) কালিপাহাড়ি এলাকায় ধস। ক্ষতিগ্রস্ত বেশ কয়েকটি বাড়ি। আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। খবর পেয়ে সোমবার সকালে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল। তিনি এলাকায় ঢোকা মাত্রই ওঠে গো ব্যাক স্লোগান। এরপরই স্থানীয়দের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন অগ্নিমিত্রা পল (Agnimitra Paul)। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।

রবিবার রাতে আচমকা কম্পন অনুভূত হয় আসানসোলের কালিপাহাড়ি এলাকায়। তারপর থেকেই একটু একটু করে ফাটল ধরে কালিপাহাড়ির ডামরা মাহালি পাড়ার ৩ নম্বর কলোনির সাত থেকে আটটি বাড়িতে। প্রত্যেকটি বাড়ির দেওয়াল ও বারান্দায় কম-বেশি ফাটল ধরে। কোথাও সরু মাকড়সার জালের মত ফাটলের দাগ, কোথাও আবার চওড়া ফাটল। কারও বাড়ির গোয়ালঘর সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। সোমবার সকালে ফাটল ক্রমশ ধসের আকার নেয়। আতঙ্কে বিপজ্জনক বাড়িগুলি ছেড়ে বেরিয়ে আসেন স্থানীয়রা। আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির বাসিন্দাদের একটি ক্লাবে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন : সামসেরগঞ্জ নির্বাচন: ভোটের আগে বেঁকে বসলেন কংগ্রেস প্রার্থী, পরিস্থিতি সামলাতে আসরে অধীর]

সোমবার সকালেই ধস কবলিত এলাকায় যান আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল। তিনি এলাকায় পৌঁছানো মাত্রই ওঠে গো ব্যাক স্লোগান। ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেন বিজেপি বিধায়ক। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। তিনি বলেন, “বামফ্রন্টের আমলে ধস পুনর্বাসনের ক্ষতিপূরণের টাকা এসেছে। গত এগারো বছরে সেই ক্ষতিপূরণ কেন দেওয়া হয়নি? আমি মাত্র চার মাস এসেছি। এখানে রাজনীতি করার জন্য এই শ্লোগান দেওয়া হচ্ছে।” 

উল্লেখ্য, ধস কবলিত এলাকার পাশেই রয়েছে পরিত্যক্ত ডামরা তিন নম্বর খনি। বছর কুড়ি আগে এই খনিটি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এখন আর কয়লা উত্তোলন হয় না। অভিযোগ, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার আশেপাশেই একসময় অবৈধ খনির রমরমা ছিল। তার জেরেই ধসের ঘটনা ঘটতে পারে। যদিও ডামরার বাসিন্দাদের দাবি, ইসিএল কর্তৃপক্ষ কয়লা উত্তোলনের পর ঠিক মত বালি ভরাট না করাতেই এই বিপত্তি। এদিকে ইসিএল কর্তৃপক্ষের, দাবি এলাকাটি আগে থেকেই ধস কবলিত। তবু ইসিএলের জমির ওপর স্থানীয়রা জবর দখল করে বাড়ি তৈরি করেছেন।

[আরও পড়ুন: Weather Report: ওড়িশা উপকূলে গভীর নিম্নচাপের প্রভাব, সপ্তাহের শুরুতেই বঙ্গে ঘনাল দুর্যোগ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.