BREAKING NEWS

১৭ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  রবিবার ৩১ মে ২০২০ 

Advertisement

খুনে অভিযুক্তের মৃত্যুর ভুয়ো খবর ঘিরে উত্তেজনা, বিক্ষোভে বিজেপি সমর্থকরা

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: June 25, 2019 7:15 pm|    Updated: June 25, 2019 7:23 pm

An Images

পলাশ পাত্র, তেহট্ট: তিন খুনে অভিযুক্ত এক ব্যক্তির মৃত্যুর ভুয়ো খবরকে কেন্দ্র উত্তপ্ত তেহট্ট। সোমবার সকাল থেকে থানারপাড়া থানার বাইরে একের পর এক যা ঘটে, তা সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানায়। খুনে আসামির হদিশ পেতে দফায় দফায় থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বিজেপি সমর্থকরা। অবশেষে পুলিশের তরফে জানান হয়েছে, ৪৭ বোতল ফেনসিডিল-সহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে ওই ব্যক্তিকে।

[আরও পড়ুন: পেন্সিল স্কেচে জীবন্ত মোদি! শিলিগুড়ির শিল্পীর তিন লাখি ছবি যাচ্ছে গুজরাটে]

জানা গিয়েছে, জিয়ারুল মণ্ডল নামে ওই ব্যক্তি নদিয়ার তেহট্টের বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে খবর, তিনটি খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি দীর্ঘদিন কারাবাসে ছিলেন। লোকসভা নির্বাচনের মুখেই জামিনে মুক্তি পান তিনি। শুনানির জন্য সোমবার তেহট্ট আদালতে যান জিয়ারুল। এরপর থেকেই আর খোঁজ মেলেনি তার। বেশ কিছুক্ষণ পর গোটা তেহট্টে এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে যে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে ওই জিয়ারুলের। কিন্তু সোমবার গোটা দিন তাঁর দেহের হদিশ দিতে পারেননি কেউ। এমনকী কোথায় মৃত্যু হয়েছে বা কেন গুলি করা হয়েছে, সে বিষয়েও কোনও তথ্য মিলছিল না বলেই জানা গিয়েছে। জিয়ারুলকে খুনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। মঙ্গলবার সকাল থেকেই থানারপাড়া থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা।

দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ চলার পর অবশেষে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশ আধিকারিকরা। তাঁরা জানান, তাঁদের হেফাজতেই রয়েছেন জিয়ারুল। জানা যায়, সোমবার ৪৭ বোতল ফেনসিডিল ও মাদক-সহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে ওই ব্যক্তিকে। ধৃতের বাবার অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে ফাঁসানো হয়েছে জিয়ারুলকে। কারণ, এক সময়ে সিপিএমের সক্রিয় কর্মী ছিলেন জিয়ারুল, পরে তৃণমূলে যোগ দেন। সম্প্রতি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। সেইসঙ্গে এলাকার আরও বহু মানুষের যোগ দিতেন বিজেপিতে। সেই কারণেই ফাঁসানো হয়েছে জিয়ারুলকে। ধৃতের বাবার কথার সমর্থন করেছেন বিজেপির জেলা সভাপতি মহাদেব সরকার। পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবারই আদালতে তোলা হয়েছে অভিযুক্তকে।

[আরও পড়ুন: এক মাসেই ১ কোটি! দ্বিতীয়বার সাংসদ হয়েই মোটা অঙ্কের টাকা বরাদ্দ বাবুলের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement