২৮ আশ্বিন  ১৪২৬  বুধবার ১৬ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: স্কুলের এক রন্ধনকর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল সিউড়িতে। বৃহস্পতিবার সকালে স্কুলের রান্নাঘর থেকেই উদ্ধার হয়েছে ওই ব্যক্তির ঝুলন্ত দেহ। অভিযোগ, খুন করা হয়েছে তাঁকে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: জয়েন্টে চমক দুর্গাপুরের, মেধাতালিকায় একই জেলার ৩ পড়ুয়া]

জানা গিয়েছে, বীরভূমের সিউড়ির বাসিন্দা প্রদীপ ভল্লার। দীর্ঘদিন ধরেই এলাকারই একটি স্কুলে রন্ধনকর্মী হিসেবে কাজ করতেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে স্কুলের রান্নাঘর থেকে প্রদীপ ভল্লারের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। স্কুলের প্রাক্তন পড়ুয়াদের একাংশের অভিযোগ, স্কুলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। সেই কারণেই খুন করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বুধবার ফেসবুকে স্কুলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন প্রদীপবাবু। ফেসবুকে তিনি লিখেছিলেন, “স্কুলের বর্তমান পরিচালন সমিতি আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। শেষ দু’মাস মেলেনি বেতন।” অনুমান, এই ফেসবুক পোস্টের কারণেই স্কুলের পরিচালন সমিতি তাঁর উপর ক্ষুব্ধ হয়। সেই কারণেই পরিকল্পনা মাফিক খুন করা হয়েছে ওই ব্যক্তিকে।

[আরও পড়ুন:বিরোধ ভুলে মমতার পাশে থেকে কাজ করতে চান কামদুনির প্রতিবাদী শিক্ষক]

স্কুলের পরিচালন সমিতির এক সদস্য জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন প্রদীপবাবু। কয়েকদিন আগে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরেন। তাঁর কথায়, “প্রদীপবাবুর ছেলে বিশ্বভারতীর পড়ুয়া। পড়াশোনার প্রচুর খরচ, তা জুগিয়ে উঠতে পারছিলেন না তিনি।” যদিও স্কুলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। মৃতের ছেলে মিলন ভল্লার জানান, ‘‘গত দু’মাস ধরে বাবা টাকা পাঠাতে পারেননি। মানসিক চাপ ছিল। সেইসঙ্গে স্কুলের তরফেও চাপ দেওয়া হচ্ছিল৷’’ তাঁর দাবি, বাবার মৃত্যুর পর্যাপ্ত তদন্ত করা হোক। পুলিশ সূত্রে খবর, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পরই গোটা বিষয়টি স্পষ্ট হবে। খুন নাকি আত্মহত্যা, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ছবি: সুশান্ত পাল

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং