Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬
Howrah Shootout

শফিককে আগেও খুনের চেষ্টা হারুনের! প্রোমোটার হত্যার নেপথ্যে ব্র্যান্ডেড পোশাক প্রতারণা চক্র?

গুলি চলার আগের দিন শিবপুরের ফরশোর রোডে দলবল নিয়ে হারুনকে তাড়া করে শফিক। মঙ্গলবার রাতেও বাইক নিয়ে পিলখানার অলিগলিতে হারুনকে খুঁজছিল সে। হারুন বুঝে যায়, সেই রাতেই শফিককে শেষ করতে না পারলে নিজেও প্রাণে বাঁচবে না। তারপরই হারুন ৫ জন সহযোগীকে নিয়ে গোলাবাড়িতে রক্ষিতার বাড়ি বসে শফিককে খুনের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে ফেলে।

অরিজিৎ গুপ্ত
অরিজিৎ গুপ্ত

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১৯:১৫

link
অরিজিৎ গুপ্ত
অরিজিৎ গুপ্ত

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১৯:১৫

options
link
শফিককে আগেও খুনের চেষ্টা হারুনের! প্রোমোটার হত্যার নেপথ্যে ব্র্যান্ডেড পোশাক প্রতারণা চক্র? zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

হাওড়ার প্রোমোটার শফিক খান খুনে (Howrah Shootout) সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য! খুনের পিছনে রয়েছে বড় অনলাইন প্রতারণা চক্র! যা হাওড়ার দুষ্কৃতী মহলে ‘ভাঙা বালতি চক্র’ বলে পরিচিত। কী এই ভাঙা বালতি চক্র? চক্রটি অর্ধেক দামে ব্র্যান্ডেড পোশাক দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কোনও ব্যক্তির কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে। বা তাদের সঙ্গে প্রতারণা করে। এই প্রতারণা চক্রটির সঙ্গে মৃত শফিক ও অভিযুক্তে হারুনের ঘনিষ্ঠরা জড়িত ছিলেন। সেই থেকেই এই খুন! এদিকে ২ মূল অভিযুক্তকে ধরতে হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ চারটি দল তৈরি করেছে। এর মধ্যে গোয়েন্দাদের দু’টি দল মূল অভিযুক্তদের খুঁজতে ভিন রাজ্যেও পাড়ি দিয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

তদন্তে নেমে পুলিশ দুই মূল অভিযুক্ত বিশেষত হারুন ও তার দলবল সম্পর্কে নানারকম তথ্য পাচ্ছে। শুধু হারুন নয়, খুন হয়ে যাওয়া মহম্মদ শফিক সম্পর্কেও একাধিক তথ্য উঠে আসছে। পুলিশ সূত্রে খবর, হারুন ও শফিকের মধ্যে অনেকদিন ধরেই ঝামেলা চলছিলো। সম্প্রতি একটি অনলাইন প্রতারণা কাণ্ডকে কেন্দ্র করে ঝামেলা হয়। পুলিশের অনুমান, সেই ঝামেলা থেকেই খুন (Howrah Shootout) হতে হয়েছে শফিককে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, গোলাবাড়ি এলাকায় ওই অনলাইন প্রতারণা চক্রটি সক্রিয়। কিছুদিন আগে এই চক্রের খপ্পরে পড়ে হারুনের দলের এক সদস্য প্রায় ২ লক্ষ টাকা খোয়ায়। বিষয়টি ওই সদস্য হারুনকে জানায়। হারুন জানতে পেরে প্রতারণা চক্রের পাণ্ডাকে হুমকি দিয়ে সেই টাকা আদায় করে। এরপর অপমানিত ওই প্রতারক শফিকের দ্বারস্থ হয়ে জানায় হারুন তাঁকে শাসাচ্ছে। শফিক তখন ফোনে হারুনকে বিষয়টি থেকে সরে থাকতে বলে। সেখান থেকেই মূলত ২ জনের মধ্যে মনোমালিন্য ও সংঘাত তৈরি হয়। তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ওই ‘ভাঙা বালতি চক্র’নিয়ে ঝামেলার জেরেই সম্ভবত হারুন তার দলে থাকা প্রতারিত সদস্যের ২ লক্ষ টাকা শফিকের কাছে তোলা হিসেবে চেয়েছিল। তা দিতে না পারাতেই শফিককে হারুনের হাতে খুন হতে হয়।

পুলিশি তদন্তে আরও উঠে এসেছে এই ‘ভাঙা বালতি চক্রে’র প্রতারণা নিয়ে প্রথমে শফিকই হারুনকে খুনের চেষ্টা করে। গুলি চলার আগের দিন শিবপুরের ফরশোর রোডে দলবল নিয়ে হারুনকে তাড়া করে শফিক। মঙ্গলবার রাতেও বাইক নিয়ে পিলখানার অলিগলিতে হারুনকে খুঁজছিল সে। হারুন বুঝে যায়, সেই রাতেই শফিককে শেষ করতে না পারলে নিজেও প্রাণে বাঁচবে না। তারপরই হারুন ৫ জন সহযোগীকে নিয়ে গোলাবাড়িতে রক্ষিতার বাড়ি বসে শফিককে খুনের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে ফেলে। পুলিশের দাবি, বুধবার ভোরে হারুন ফোনে হুমকি দিয়ে শফিকের বাড়ির সামনে হাজির হয়। শফিকের সঙ্গেও আগ্নেয়াস্ত্রধারী এক সহযোগী ছিল। কিন্তু হারুন ও রোহিত একসঙ্গে শফিকের ওপর পরপর গুলি চালাতেই শফিকের সঙ্গে থাকা আগ্নেয়াস্ত্রধারী সেই যুবক পালিয়ে যায়। এখন তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য দ্রুত দুই মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.