Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৬ জুলাই ২০২৬

সৌমেন চক্রান্তের শিকার ও নির্দোষ, কারমেল কাণ্ডে অভিযুক্তর পাশে পরিবার

সৌমেনের নামে অভিযোগ মানতে পারছে না পটাশপুরের কসবা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৮, ১৯:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৮, ১৯:৪৯

options
link
সৌমেন চক্রান্তের শিকার ও নির্দোষ, কারমেল কাণ্ডে অভিযুক্তর পাশে পরিবার zoom

রঞ্জন মহাপাত্র: ছেলে নির্দোষ। কোনও কারণে তাকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। তদন্ত হলে ছেলে নিশ্চই ছাড় পাবে। এমনই দাবি কারমেল কাণ্ডে ধৃত সৌমেনের পরিবারের।

[‘মেয়েলি’ স্বভাবের সৌমেন এমনটা করবে, ভাবতেই পারেননি অভিভাবক বা পরিচিতরা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শনিবার পটাশপুর এক ব্লকের কসবা গ্রামে একই কথার প্রতিধ্বনি। কারণ শ্রীকান্ত রানা ও বন্দনা রানার ছেলে সৌমেন রানার (২১) বিরুদ্ধে কলকাতায় এক স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এই খবর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের লোকজন। তাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ধৃত শিক্ষকের মা বন্দনা রানা। গত কয়েক বছর ধরে প্রতিবেশী ছাত্রীদের নাচ শেখায় সৌমেন। কিন্তু কোনওদিন তার বিরুদ্ধে কোনও খারাপ কাজের অভিযোগ ওঠেনি বলে দাবি প্রতিবেশীদের।

IMG-20180210-WA0035

[ভাল মানুষ সেজে থাকে বলেই চেনা যায় না পেডোফিলিকদের, বলছেন মনোবিদরা]

মাস দুয়েক আগেই দুই খুদে পড়ুয়াকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল জিডি বিড়লা এবং এমপি বিড়লা স্কুলে। এবার একই অভিযোগ উঠল দেশপ্রিয় পার্কের কারমেল প্রাইমারি স্কুলের বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন নিগ্রহের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছে নাচের  শিক্ষক। এই ঘটনা ঘিরে পুলিশের সঙ্গে অভিভাবকদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়।  লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত নাচের শিক্ষক সৌমেন রানাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।  জানা গিয়েছে, ৬ মাস আগে অস্থায়ী শিক্ষক হিসেবে কাজে যোগ দেন অভিযুক্ত। তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। যদিও তাতেও ক্ষোভ কমেনি।

[হার্নিয়ার অপারেশনের পরও ৩৩০ বার ওঠবস, কাঠগড়ায় মাদ্রাসার শিক্ষক]

দ্বিতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রীর পরিবারের দাবি, ক্লাস করানোর নাম করে কয়েক মাস ধরেই ওই শিশুকে যৌন নিগ্রহ করছিলেন নৃত্য শিক্ষক। বৃহস্পতিবার স্কুল থেকে ফিরে বাড়িতে বিষয়টি জানায় শিশু। এই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার ক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিভাবকরা। খবর পেয়ে স্কুলে পৌঁছায় টালিগঞ্জ সহ বেশ কয়েকটি থানার পুলিশ। লালবাজার থেকেও আসে বাহিনী। কিছুক্ষণ পর, অভিযুক্ত শিক্ষককে স্কুল থেকে বের করা হয়। ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার পাশাপাশি মারধর করা হয় ওই শিক্ষককে। পুলিশের উপরও আছড়ে পড়ে রোষ। যদিও গোটা ঘটনা নিয়ে মুখ খুলতে চায়নি স্কুল কর্তৃপক্ষ।  তবে কলকাতায় যাই হোক পটাশপুর মনে করে সৌমেন নির্দোষ। তাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে প্রতিবেশীরা অনেক দূর যেতে রাজি আছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.