BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

পুলিশকে ‘নরকের কীট’ বলে ধমক, ফের বিতর্কে বাবুল সুপ্রিয়

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: April 21, 2019 9:25 pm|    Updated: April 21, 2019 9:26 pm

An Images

চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল:  ফের বিতর্কের মুখে আসানসোলের বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়। এবার থানায় ঢুকে ডিউটি অফিসারকে ধমক দেওয়ার অভিযোগ উঠল তারকা প্রার্থীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, কর্তব্যরত ওই পুলিশ আধিকারিককে ‘নরকের কীট’এর সঙ্গে তুলনা করেন তিনি। তাঁর মন্তব্য ঘিরেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে রাজনৈতিক মহলে।

[আরও পড়ুন: বারাসতের তৃণমূল প্রার্থীর গাড়িতে ধাক্কা বাসের, আতঙ্ক কাটিয়ে ফের প্রচার]

জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে কুলটির বিজেপি নেতা রাজু যাদবের বাড়িতে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে আসানসোল থানার বরাকর ফাঁড়ির আইসি-সহ অন্যান্য পুলিশকর্মীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি রাজুর পরিবারের মহিলাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন ওই পুলিশকর্মীরা। গোটা বিষয়টি বাবুল সুপ্রিয়কে জানান দলের কর্মীরা। এমনকী ঘটনার সময়ের ভিডিও তাঁকে দেখানো হয়। এতেই উত্তেজিত হয়ে পড়েন বাবুল সুপ্রিয়।  

[আরও পড়ুন: প্রচারে শ্বশুরবাড়ির পাড়ায় আলুওয়ালিয়া, ঢুকলেন না তৃণমূল নেতা শ্যালকের বাড়িতে]

এরপরে ৫০ জন মহিলাকে নিয়ে বরাকর ফাঁড়ি ঘেরাও করেন বাবুল সুপ্রিয়। জানা গিয়েছে, ফাঁড়ির ভিতর ঢুকে কর্তব্যরত আইসিকে ধমক দেন তিনি। জবাবে পুলিশ অফিসার তাঁকে সৌজন্য বজায় রাখার কথা বললে, আরও ক্ষেপে যান বাবুল সুপ্রিয়। অভিযোগ, সেই সময় ওই পুলিশ কর্মীকে উদ্দেশ্যে করে বাবুল বলেন, “তোমার মতো নরকের কীটের কোনও শ্রদ্ধার দরকার নেই আমার। তোমার থেকে আমি শ্রদ্ধা নেব না।” উল্লেখ্য, রামনবমীর আখড়াকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বরাকর। সেই ঘটনায় জড়িত সন্দেহেই বিজেপির মণ্ডল সভাপতি রাজু যাদবকে খুঁজছিল পুলিশ। সেই কারণেই শনিবার রাতে রাজুর বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। সেই অভিযানকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বরাকর ফাঁড়ি৷

[আরও পড়ুন: তৃণমূলের কর্মিসভায় কাউন্সিলরের পাশে বসে পুলিশ আধিকারিক, কমিশনে সিপিএম]

বাবুল সুপ্রিয় জানিয়েছেন, পুলিশি অভিযানের পদ্ধতিতে তাঁর আপত্তি রয়েছে। তিনি বলেন, ‘রাতে পুলিশ ইচ্ছাকৃতভাবে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে মহিলাদের অসম্মান করেছে।’ রামনবনীর অশান্তি প্রসঙ্গে অভিযুক্ত  রাজু যাদব জানিয়েছেন, ‘আমি ওই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নই। ভোটের মুখে আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে। আমাকে আটকে রাখতে পারলে তৃণমূলের সুবিধা।’ তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক কারণে পুলিশকে ব্যবহার করছে তৃণমূল। তবে ঘটনা যাই হোক, পুলিশের সঙ্গে এমন অভব্য আচরণের অভিযোগে তারকা প্রার্থীকে নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক৷  

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement