Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
বিশ্বভারতীতে ফের বিতর্ক

করোনামুক্তিতে বিশ্বভারতীর বিশেষ প্রার্থনায় আচার্যের আসনে পুলিশ অফিসার! তুঙ্গে বিতর্ক

চিরাচরিত প্রথা ভেঙে বিশেষ অতিথিদের আচার্যের আসনে বসানোয় আপত্তি অনেকের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০২০, ১৯:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০২০, ১৯:২১

options
link
করোনামুক্তিতে বিশ্বভারতীর বিশেষ প্রার্থনায় আচার্যের আসনে পুলিশ অফিসার! তুঙ্গে বিতর্ক zoom

ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বোলপুর: করোনা (Coronavirus) মোকাবিলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের মতো পুলিশও বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই আবহে তাঁদের কাজের পরিধি বেড়েছে। তাই পুলিশকর্মী, আধিকারিকদের কুর্নিশ জানাতে বুধবার বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাসনালয়ে প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছিল। বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন শান্তিনিকেতন থানার ওসি কস্তুরী মুখোপাধ্যায়। তাঁকে প্রার্থনায় পৌরহিত্যের ভার দিয়েই বিতর্কে জড়িয়ে পড়ল কর্তৃপক্ষ। দেখা গেল, উপাসনা গৃহে ওসি তথা বিশেষ অতিথি যে আসনে বসেছেন, তা আসলে আচার্যের আসন। আচার্যের আসনে বিশেষ অতিথিকে বসানোর কোনও নজির এপর্যন্ত বিশ্বভারতীতে নেই বলেই মত আশ্রমিকদের একাংশের।

প্রতি বুধবার সাপ্তাহিক উপাসনা হয় বিশ্বভারতীর এই মন্দিরে। নিয়ম অনুসারে, প্রতিটি উপাসনায় পৌরহিত্য করেন একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি। এ সপ্তাহে পৌরহিত্য করেন শান্তিনিকেতন থানার ওসি কস্তুরী মুখোপাধ্যায়। ছিলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, অধ্যাপক,কর্মী ও পড়ুয়ারা। এতদিন করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউনের জেরে পড়াশোনার পাশাপাশি বিশ্বভারতীতে সাপ্তাহিক উপাসনাও বন্ধ ছিল। তবে ১০ জুন থেকে ফের তা চালু হয়েছে। গত তিন সপ্তাহের এই বিশেষ উপাসনায় করোনা যুদ্ধে যারা সামনে সারিতে থেকে যাঁরা লড়াই করছেন, তাঁদের কুর্নিশ জানাতে এঁদেরই একেকজনকে প্রার্থনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: আমফানে ক্ষতি না হলেও মিলছে আর্থিক সাহায্য! পাণ্ডুয়ায় ত্রাণ নিয়ে দেদার ‘দুর্নীতি’ বিজেপির]

এ সপ্তাহের অতিথি শান্তিনিকেতন থানার ওসি কস্তুরী মুখোপাধ্যায় বলেন, ”করোনা বিপর্যয়ের দিনেও কোন আঘাত এলে আমরা যেন ভেঙে না পড়ি, গুরুদেবের দেখানো পথে যেন আমরা চলতে পারি। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ যেভাবে একজন পুলিশকর্মীকে সম্মান জানাল, তাতে আমি কৃতজ্ঞ।”

[আরও পড়ুন: বন্ধুর ফোন পেয়ে রাতে বাড়ি থেকে বেরনোই কাল, সকালে পুকুরে মিলল কিশোরীর দেহ]

এ পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। কিন্তু এরপর উপাসনালয়ে যে আসনে বসে ওসি প্রার্থনা করলেন, সেই আসন নিয়েই যত বিতর্ক। জানা গিয়েছে, নতুন করে বিশেষ প্রার্থনা শুরু হওয়ার পর অতিথিদের এই আসনেই বসানো হচ্ছে। বিশ্বভারতীর চিরাচরিত নিয়মের বাইরে গিয়ে। এখানেই অনেকের আপত্তি। বিশেষ অতিথি মানেই তাঁকে আচার্যের আসন দিয়ে দিতে হবে কেন? অন্য কোনওভাবেই কি তাঁকে শ্রদ্ধা জানানো যেত না? যদিও কর্মিমণ্ডলীর একাংশের মতে, যে কঠিন যুদ্ধে এই সব ব্যক্তিরা যেভাবে প্রাণপাত করছেন, তাঁদের জন্য কোনও সম্মানই যথেষ্ট নয়। এই পরিস্থিতিতে আসন নিয়ে আপত্তি তোলা নিতান্তই রুচিহীনতার পরিচয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.