Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬

জমি দখলকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত কোন্নগরের হাতিরকুল, পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জ পুলিশের

ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন কোন্নগর পুরসভার উপ-পুরপ্রধান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৫, ২০১৯, ২১:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৫, ২০১৯, ২১:২০

options
link
জমি দখলকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত কোন্নগরের হাতিরকুল, পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জ পুলিশের zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খেলার মাঠ বাঁচানো নিয়ে ধুন্ধুমার হুগলির কোন্নগরের হাতিরকুলে। জবরদখলকারীদের সঙ্গে পুলিশের ঝামেলায় কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিল এলাকা। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন কোন্নগর পুরসভার উপ-পুরপ্রধান গৌতম দাস। এছাড়াও স্থানীয়দের মধ্যে অনেকে আহত হয়েছেন বলে খবর। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন একাধিক প্রৌঢ় ও মহিলা।

ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার সকালে। স্থানীয়দের অভিযোগ, যে ১২ কাঠা জমি নিয়ে অশান্তির সূত্রপাত সেটি একটি খেলার মাঠ। প্রতিদিন বিকেলে এলাকার ছেলেরা এখানে খেলা করে। সকালে প্রাতঃভ্রমণও করা হয় এই মাঠে। বিগত ৬০ বছর ধরে মাঠটি এই কাজেই ব্যবহার হয়ে আসছে। কিন্তু কিছুদিন ধরেই প্রোমোটারের নজরে পড়েছে এই খেলার মাঠ। অভিযোগ, হঠাৎই সেই মাঠের দখল নিতে চান প্রোমোটার অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়। মাঠের স্বত্ব দাবি করেন তিনি। গোটা বিষয়টি নিয়ে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। এ নিয়ে সমস্ত কাগজপত্র পেশ করা হয়। তারপর আদালতের নির্দেশ মেনেই মাঠ দখল করতে আসা হয় বলে জানান প্রোমোটার। তখনই স্থানীয়দের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। এলাকায় অবরোধ শুরু করেন তাঁরা।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: লোকাল ট্রেনে সবজির ব্যাগে ভরে কোটি টাকার সোনা পাচারের চেষ্টা, পুলিশের জালে ৩ অভিযুক্ত ]

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলা যাচ্ছে দেখে খবর যায় পুলিশে। পুলিশ এসে শুরু করে লাঠিচার্জ। লাঠির ঘায়ে আহত হন কোন্নগর পুরসভার উপ-পুরপ্রধান গৌতম দাস। এছাড়া স্থানীয়দের মধ্যেও কয়েকজন আহন হন। যদিও প্রোমোটারের দাবি, হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই মাঠের দখল নিতে এসেছিলেন তাঁরা। স্থানীয়রাই তাঁদের সঙ্গে অকারণে ঝামেলায় জড়ান। অন্যদিকে স্থানীয়দের বক্তব্য, এলাকার অন্যতম এই খেলার জায়গাটি কোনওভাবেই প্রোমোটারের হাতে দেবেন না তাঁরা। এ যুগে যখন ছোটরা পড়াশোনা আর মোবাইল ফোনের মধ্যে নিজেদের সীমাবদ্ধ করে ফেলেছে, সেখানে এমন একটি খেলার মাঠ না থাকলে তারা আরও কুয়োর ব্যাঙ হয়ে উঠবে। তা থেকে বাঁচতে খেলার মাঠই ভরসা। আর সেটিও যদি প্রোমোটারের কবলে চলে যায় তাহলে ছোটদের খেলার জায়গা থাকবে না। এটাই তাঁরা আটকাতে চান।

[ আরও পড়ুন: স্বামীর চাকরি হাতিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে ঘর বাঁধার ছক, স্টেশন মাস্টার খুনে চাঞ্চল্যকর মোড় ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.