Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

বিশ্বভারতীতে স্টুডিও তৈরিতে দুর্নীতির অভিযোগ, রাষ্ট্রপতিকে চিঠি অধ্যাপকদের

টেন্ডার না ডেকেই বরাত দেওয়ার অভিযোগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০১৮, ১৫:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০১৮, ১৫:৪৩

options
link
বিশ্বভারতীতে স্টুডিও তৈরিতে দুর্নীতির অভিযোগ, রাষ্ট্রপতিকে চিঠি অধ্যাপকদের zoom

ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বোলপুর: বিশ্বভারতীতে স্টুডিও তৈরি নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠল। অভিযোগ, সিঙ্গল টেন্ডার ব্রডকাস্টিং ইঞ্জিনিয়ারিং কনসালটেন্ট ইন্ডিয়া লিমিটেড বা বেসিল নামে একটি সংস্থাকে স্টুডিও তৈরির বরাত দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। স্টুডিও তৈরিতে বরাদ্দ ৬ কোটি টাকা। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছে অধ্যাপকদের সংগঠন বিশ্বভারতী ইউনিভার্সিটি ফ্যাকাল্টি অ্যাসোসিয়েশন বা ভিবিউফা। অভিযোগ খতিয়ে দেখে দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করার আরজি জানানো হয়েছে। এদিকে, সিঙ্গল টেন্ডারের বিষয়টি স্বীকার করলেও, আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ মানতে নারাজ বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।

[কানে হেডফোন, হাওড়ায় চলন্ত ট্রেনের সামনে পড়ে প্রাণ গেল যুবকের]

Advertisement

সংগীত ভবন-সহ বিভিন্ন বিভাগের পড়ুয়াদের গান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, তথ্যচিত্র সংরক্ষণের জন্য একটি অত্যাধুনিক স্টুডিও তৈরি করতে চাইছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যাল মঞ্জুরী কমিশনের ৬ কোটি টাকায় রবীন্দ্রভবনের পিছনে শুরু হয়েছে স্টুডিও তৈরির কাজ। কিন্তু, সেই কাজের বরাত দেওয়া নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দিয়েছে অধ্যাপকদের সংগঠন বিশ্বভারতী ইউনিভার্সিটি ফ্যাকাল্টি অ্যাসোসিয়েশন বা ভিবিউফা। অধ্যাপকদের দাবি, সরকারি সংস্থা তো বটেই, সরকারি দপ্তর বা সংস্থায় ৩০ লক্ষ টাকার বেশি অঙ্কের প্রকল্পে ঠিকাদার সংস্থাকে পূর্ত দপ্তরের অনুমোদিতও হতে হয়। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বভারতীয়ে যে সংস্থা এই স্টুডিও তৈরি করছে, সেই বেসিল পূর্ত দপ্তরের তালিকাভুক্ত নয়। শুধু তাই নয়, কার্যত কোনও টেন্ডার না ডেকেই ৬ কোটি টাকার কাজের বরাত দেওয়া হয়েছে সংস্থাটিকে। বিশ্বভারতী ইউনিভার্সিটি ফ্যাকাল্টি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুদীপ্ত ভট্টচার্য বলেন, ‘স্টুডিও তৈরির প্রকল্পের বেসিলকে ছাড় দেওয়ার ঘটনা দুর্নীতি প্রকাশ্যে চলে এসেছে। সংস্থার অস্থায়ী কর্মী সলিল সরকার উপাচার্যের অত্যন্ত ঘনিষ্ট। আমরা পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখার আরজি জানিয়ে রাষ্ট্রপতি চিঠি দিয়েছি।’

[হাসপাতালের ছাদ থেকে উদ্ধার নিখোঁজ ডব্লিউবিসিএস অফিসারের দেহ]

যদিও স্টুডিও তৈরিতে দুর্নীতির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত কর্মসচিব অমিত হাজরা। তাঁর দাবি, বেসিল পূর্ত দপ্তরের অনুমোদিত সংস্থা নয় ঠিকই। তবে স্টুডিও তৈরিতে অভিজ্ঞতার কারণে তাদের ছাড় দেওয়া হয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন।

[নেতাজির চিঠি ও চেয়ার আজও সযত্নে রক্ষিত আসানসোলের রায় পরিবারে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.