বারুইপুর ধর্ষণ-খুন কাণ্ডের (Baruipur Incident) পর অভিযুক্ত সন্দেহে এক যুবককে পিটিয়ে মারার অভিযোগ ঘিরে সরগরম এলাকা। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই জানিয়েছেন, স্রেফ সন্দেহের বশে খুন হওয়া যুবক ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল ‘নির্দোষ’। এনিয়ে তদন্ত চলছে। গত সপ্তাহে ঘটে যাওয়া ওই গণপিটুনির ঘটনায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে রবিবার রাতে বারুইপুরের খোদারবাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন সিপিএম নেতা তথা ছাব্বিশের ভোটে বারুইপুর পশ্চিমের প্রার্থী লাহেক আলি (Lahek Ali)। তাঁর বিরুদ্ধে আগেই অবশ্য এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। তার ভিত্তিতে গ্রেপ্তারি। সোমবার আদালতের বাইরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে লাহেক বললেন, ‘‘সব মিথ্যে অভিযোগ। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চলছে। এভাবে প্রতিবাদের মুখ বন্ধ করা হচ্ছে।”
লাহেকের গ্রেপ্তারি ও মামলা পুরোপুরি রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক বলে অভিযোগ তুলেছে সিপিএম। দলের প্রাক্তন বিধায়ক সুজন চক্রবর্তীর দাবি, ‘‘যে মামলার কথা বলছে পুলিশ, বারুইপুরের সূর্যপুরে গণপিটুনিতে হত্যা, সেই ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর লাহেক ওখানে পৌঁছন। একটু তদন্ত করলে, সিসিটিভি ফুটেজ দেখলেই তা বোঝা যাবে। কিন্তু তদন্তের আগেই তো মুখ্যমন্ত্রী বলে দিচ্ছেন, ওখানে কে নির্দোষ, কে অভিযুক্ত। বিচারের আগে এসব হলে তো গণতন্ত্র থাকবে না।” এদিন আদালতের পথে লাহেক আলির গলাতেও একই অভিযোগের সুর। বললেন, ”প্রতিবাদের মুখ বন্ধ করা হচ্ছে, সব মিথ্যে মামলা।”
আরও পড়ুন:
সোমবার বারুইপুর আদালতে পৌঁছে প্রিজন ভ্যান থেকে নামার আগে লাহেক আলিকে হেলমেট পরায় পুলিশ। ডিম-হামলার ভয়েই কি হেলমেট পরানো হল? উঠছে সেই প্রশ্ন। ইদানিং গ্রেপ্তার হওয়া একাধিক বিরোধী নেতাদের উদ্দেশে জনতার ডিম ছোড়া যেভাবে বেড়েছে, তাতে লাহেকের উপর হামলার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। রবিবার রাতে লাহেককে বারুইপুর পুলিশ গ্রেপ্তার করলেও অশান্তির আশঙ্কায় রাতে নরেন্দ্রপুর থানায় এনে রাখা হয়েছিল। সেখান থেকে সোমবার নিয়ে যাওয়া হয়েছে বারুইপুর আদালতে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী উসকানি-সহ অন্তত ১৫টি মামলা এবং ভারতীয় রেল আইনের দুটি ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
যদিও লাহেকের গ্রেপ্তারি ও মামলা পুরোপুরি রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক বলে অভিযোগ তুলেছে সিপিএম। দলের প্রাক্তন বিধায়ক সুজন চক্রবর্তীর দাবি, ‘‘যে মামলার কথা বলছে পুলিশ, বারুইপুরের সূর্যপুরে গণপিটুনিতে হত্যা, সেই ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর লাহেক ওখানে পৌঁছন। একটু তদন্ত করলে, সিসিটিভি ফুটেজ দেখলেই তা বোঝা যাবে। কিন্তু তদন্তের আগেই তো মুখ্যমন্ত্রী বলে দিচ্ছেন, ওখানে কে নির্দোষ, কে অভিযুক্ত। বিচারের আগে এসব হলে তো গণতন্ত্র থাকবে না।” এদিন আদালতের পথে লাহেক আলির গলাতেও একই অভিযোগের সুর। বললেন, ”প্রতিবাদের মুখ বন্ধ করা হচ্ছে, সব মিথ্যে মামলা।” তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি তুলে সরব সিপিএমের বিভিন্ন সংগঠন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
অফিস টাইমে ফের মেট্রো বিভ্রাট, চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা
-
পুজোর আগে সিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্য সুখবর, কবে ঢুকবে বেতনের বাড়তি ২ হাজার? জানিয়ে দিল রাজ্য
-
মোদির জনপ্রিয়তায় খামতি নেই, এখন ভোট হলে কত আসন পাবে এনডিএ? কী বলছে দেশ?
-
মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর চলতি সপ্তাহেই প্রথমবার বীরভূম সফর, কী বার্তা দেবেন শুভেন্দু?
-
বয়কটের হ্যাটট্রিক! প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের প্রতিবাদে ফের সরব পড়ুয়ারা, বাতিল সমাবর্তন