BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

করোনায় মৃতকে দেখতে হলে দিতে হবে ৫১ হাজার টাকা! শ্মশান কর্মীদের আচরণে ক্ষুব্ধ পরিবার

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: August 11, 2020 2:00 pm|    Updated: August 11, 2020 2:05 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনায় (Corona Virus) মৃতকে শেষবার দেখতে দেওয়ার বিনিময়ে পরিবারের কাছে ৫১ হাজার টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠল শিবপুর শ্মাশানের কর্মীদের বিরুদ্ধে। অবশেষে আড়াই হাজার টাকা দেওয়ার পর প্রিয়জনকে শেষ দেখা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। ইতিমধ্যেই হাওড়ার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে বিষয়টি জানিয়েছেন তাঁরা।

জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন হাওড়ার (Howrah) শিবপুরের বাসিন্দা বছর ৬৮-এর ওই বৃদ্ধ। ঝুঁকি না নিয়ে তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে করোনা পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্ট আসে পজিটিভ। কিন্তু উপসর্গ না থাকায় তাঁকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলেন ডাক্তাররা। এরপর শুক্রবার আচমকা অবস্থার অবনতি হয় তাঁর। শুরু হয় শ্বাসকষ্ট। তখন জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরে যোগাযোগ করা হলে অ্যাম্বুল্যান্স পাঠানো হয় বাড়িতে। রোগীকে ভরতি করা হয় টিএল জয়সওয়াল হাসপাতালে। অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় রাতেই তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় সঞ্জীবন হাসপাতালে। রবিবার দুপুরে হাসপাতালে ফোন করলে বৃদ্ধের মৃত্যু সংবাদ পান পরিবারের সদস্যরা। জানানো হয়, শিবপুর শ্মশানে পাঠানো হয়েছে দেহ।

[আরও পড়ুন: কীসের দূরত্ববিধি? বিজেপি বিধায়কের স্মরণসভায় শিকেয় নিয়ম, মাস্ক ছাড়াই মঞ্চে দিলীপ]

এরপর মৃতের পরিবার শিবপুর হাসপাতালে যেতেই সমস্যার সূত্রপাত। অভিযোগ, বৃদ্ধকে শেষবার দেখানোর বিনিময়ে ৫১ হাজার টাকা দাবি করেন শ্মশানকর্মীরা। শেষে আড়াই হাজার টাকায় বৃদ্ধকে দেখাতে রাজি হন তারা। শ্মশান থেকে বাড়ি ফেরার পরই গোটা বিষয়টি জানিয়ে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন পরিবারের সদস্যরা। খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক। যদিও অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি শ্মশানকর্মীদের। প্রসঙ্গত, এর আগেও বিভিন্নভাবে শ্মশানকর্মীদের দ্বারা হেনস্তার শিকার হয়েছেন করোনায় মৃতের পরিবারের সদস্যরা। কোথাও পরিবারের সদস্যদেরই চুুল্লিতে দিতে হয়েছে দেহ। কোথাও দাবি জানানো হয়েছে অর্থের।

[আরও পড়ুন: কোভিড নেগেটিভ ভেবে দেহ ছাড়ল হাসপাতাল, দাহ করার পর মিলল পজিটিভ রিপোর্ট]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement