Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
TMC

মাছ ভাজার নামে ডাকা হত মহিলাদের, সন্ধেয় বাগানবাড়িতে বাড়ত ভিড়! চর্চায় দেগঙ্গার ‘শাহজাহান’

অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন তৃণমূল নেতা রবিউল ইসলাম। যিনি সম্প্রতি গ্রেপ্তার হয়ে আদালতের নির্দেশে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৬, ২১:১৫

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৬, ২১:১৫

options
link
মাছ ভাজার নামে ডাকা হত মহিলাদের, সন্ধেয় বাগানবাড়িতে বাড়ত ভিড়! চর্চায় দেগঙ্গার ‘শাহজাহান’ zoom
মাছ ভাজার নামে ডাকা হত মহিলাদের, সন্ধেয় বাগানবাড়িতে বাড়ত ভিড়! চর্চায় দেগঙ্গায় 'শাহজাহান'
Advertisement

দিনের বেলায় নির্জন। সন্ধ্যা নামলেই বাড়তে শুরু করত ভিড়। গভীর রাত পর্যন্ত চলত লোকজনের আনাগোনা। দেগঙ্গার হাঁসিয়ার একটি বাগানবাড়িকে ঘিরে এখন এমনই নানা অভিযোগ ঘুরছে স্থানীয় মহলে। মাছ কাটা, মাছ ভাজার নাম করে নাকি ডেকে পাঠানো হত মহিলাদের। আর সেই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন তৃণমূল নেতা রবিউল ইসলাম। যিনি সম্প্রতি গ্রেপ্তার হয়ে আদালতের নির্দেশে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

রবিউল গ্রেপ্তার হওয়ার পরই মুখ খুলতে শুরু করেছেন এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ। তাঁদের দাবি, মাছ কাটা, মাছ ভাজা কিংবা রান্নার কাজের কথা বলে প্রায়ই স্থানীয় মহিলাদের ডেকে পাঠানো হত ওই বাগানবাড়িতে। অভিযোগ, সন্ধ্যার পর বাগানবাড়িটি অন্য চেহারা নিত। নিয়মিত বসত মদের আসর। বাইরের লোকজনের যাতায়াতও ছিল চোখে পড়ার মতো। মহিলাদের ব্যবহার করে অসামাজিক কর্মকাণ্ড চালানো হত বলেও অভিযোগ। কয়েকজন বাসিন্দা মধুচক্র পরিচালনার অভিযোগও তুলেছেন। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের কোনও প্রমাণ মেলেনি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সন্দেশখালিতে একসময় ‘পিঠে ভাজা’ নিয়ে যে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, দেগঙ্গায় এখন তেমনই চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে ‘মাছ ভাজা’। স্থানীয়দের কথায়, এই একটি শব্দবন্ধই এখন এলাকায় রবিউলকে ঘিরে নানা গুঞ্জনের প্রতীক হয়ে উঠেছে। শুধু বাগানবাড়ির কার্যকলাপ নয়, তার নির্মাণ নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন বাসিন্দারা। অভিযোগ, কৃষিজমির চরিত্র বদলে মাটি কেটে তৈরি করা হয়েছিল বড়সড় ঝিল। পরে তার ধারেই তৈরি হয় শান বাঁধানো ঘাট ও বিলাসবহুল বাগানবাড়ি। দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে থাকা ওই সম্পত্তি নিয়ে নানা জল্পনা থাকলেও প্রকাশ্যে খুব কম মানুষই মুখ খুলতেন বলে দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয় বাসিন্দা রাজু মণ্ডল ও টনি বিশ্বাসের অভিযোগ, একসময় দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন রবিউল। পরে রাজনৈতিক প্রভাব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর সম্পত্তিও দ্রুত বৃদ্ধি পায়। তাঁদের দাবি, বর্তমানে শতাধিক বিঘা জমির মালিক তিনি। রাজু ও টনির কথায়, ‘‘প্রভাবের কারণে এতদিন কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলতে সাহস পায়নি। এখন গ্রেপ্তারির পর অনেক কথাই সামনে আসছে।’’ তবে স্থানীয়দের তোলা অভিযোগের বিষয়ে রবিউল ইসলাম বা তাঁর পরিবারের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের তরফেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.