সুব্রত বিশ্বাস: ২১ জুলাই শহিদ দিবসে তৃণমূলের সভার জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল রেল। সভায় আসতে মানুষজনের যাতে অসুবিধা না হয় সেজন্য আটজোড়া বাড়তি লোকাল ট্রেন চালাবে পূর্ব রেল। চারজোড়া হাওড়া, চারজোড়া শিয়ালদহ ডিভিশনে। হাওড়ায় একজোড়া করে চলবে হাওড়া থেকে তারকেশ্বর, ব্যান্ডেল, বর্ধমান ও কাটোয়া শাখায়। শিয়ালদহে চারজোড়া লোকাল চলবে শিয়ালদহ থেকে ক্যানিং, লক্ষ্মীকান্তপুর, কৃষ্ণনগর ও বনগাঁ শাখায় চলবে একজোড়া করে। ২১ জুলাই উপলক্ষে এই ট্রেন চললেও রেল কর্তারা এটাকে ভিড়ে যাত্রী চলাচল সুবিধার জন্য এই বাড়তি ব্যবস্থা বলে জানিয়েছেন।
[ আরও পড়ুন: ‘বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ছুতমার্গ নেই’, এবার তৃণমূলকে জোট বার্তা সোমেন মিত্র’র]
এবার বিভিন্ন জায়াগায় ওই দিন কিছু ঝামেলার আশঙ্কা করেছে রেল পুলিশ। বিশেষত কাঁকিনাড়া, ভাটপাড়া, নৈহাটি অঞ্চলে। এজন্য এবার শহরতলির বেশ কয়েকটি স্টেশনে প্রচুর রেল পুলিশ ও আরপিএফ মোতায়েনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিয়ালদহ ডিভিশনে কাঁকিনাড়া, রানাঘাট, নৈহাটি, হালিশহর, সোনারপুরে বাড়তি পুলিশ বাহিনী রাখা হবে। হাওড়া ডিভিশনের কয়েকটি নির্দিষ্ট স্টেশনে একই ব্যবস্থা রেখেছে পুলিশ। বিভিন্ন স্টেশনে ভিড়ে যাত্রীদের সহযোগিতা করতে পুলিশ ও আরপিএফের পাশাপাশি বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত রেলকর্মীরা মোতায়েন থাকবেন।
অবরোধের মতো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি হঠাতে নজরদারি টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া ওভারহেডের তারে কলাপাতা ফেলে ট্রেন চলাচল স্তব্ধ করার প্রচেষ্টা রুখতে লাইট ইঞ্জিন ও টাওয়ার ভ্যান রাখা থাকবে নির্দিষ্ট স্টেশনগুলিতে।
[ আরও পড়ুন: একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি তুঙ্গে, দল বেঁধে কলকাতায় ঢুকছেন তৃণমূল কর্মীরা]
বিভিন্ন জেলা থেকে আগত মিছিলমুখী যাত্রীদের জন্য হাওড়া ও শিয়ালদহে বিশেষ চ্যানেলওয়ে বানানো হয়েছে। স্টেশন থেকে বেরিয়ে যাতে সভামুখী মানুষজন সরাসরি ধর্মতলায় যেতে পারেন। চ্যানেলগুলিকে বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড করে রাখা হয়েছে। হাওড়া স্টেশন দিয়ে শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত সভার জন্য কেউ না এলেও শিয়ালদহে রাতের দিকে এসে পৌঁছন বেশ কিছু মানুষ। এঁদের জন্য বিশেষ শিবির ও খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। হাওড়া স্টেশনের দায়িত্বে থাকা দলের পক্ষে বাণী সিংহরায় বলেন, ‘‘আলমপুর, নিবড়ে ও মাইতিপাড়ায় শিবির করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গ-সহ বিভিন্ন জেলা থেকে যাঁরা আসবেন তাঁদের বাসে করে শিবিরে নিয়ে যাওয়া হবে। এজন্য ২০০টি বাস রাখা হয়েছে। শহরতলি থেকে যাঁরা আসবেন তাঁদের মিছিল করে স্টেশনের সামনের তৈরি চ্যানেল দিয়ে সরাসরি ব্র্যাবোর্ন রোডে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।এছাড়া গীতাঞ্জলি ,উত্তীর্ণ, মিলনমেলা ও বড়বাজারের গেস্ট হাউসগুলিতে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।’’ খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, ‘‘উত্তরবঙ্গ থেকে মানুষজন আজই আসা শুরু করবেন। তাঁদের শিবিরে থাকা ও খাওয়ার বন্দোবস্ত রাখা হয়েছে।’’
সর্বশেষ খবর
-
আঞ্চলিক মিষ্টির জিআই ট্যাগ নিয়ে তৎপর বঙ্গ বিজেপি! ‘মিষ্টি হাব’ তৈরিরও পরিকল্পনা শমীকদের
-
এবার সপ্তাহে ৬ দিনই শান্তিনিকেতনে ‘হেরিটেজ ওয়াক’, দ্রুত টিকিট মিলবে অনলাইনেও
-
লরি চাপা পড়ে মাইকেল ক্লার্কের গাড়ি! আইপিএল শেষে বিমানবন্দর যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা
-
নিজের নিরাপত্তা দিতে চেয়েছিলেন মমতা! এবার এনআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার ‘মাছ চোর’ শওকত
-
সমাজকে আদর্শের আয়না দেখায় ‘গোর্কির মা’, কেমন হল? পড়ুন রিভিউ