শ্রীকান্ত পাত্র, ঘাটাল: ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের প্রথম দফার কাজ শেষ। নভেম্বর মাসের ২৫ তারিখ থেকেই দ্বিতীয় দফার কাজ শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়া। বৃহস্পতিবার ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে মনিটরিং কমিটির বৈঠক করতে ঘাটালে আসেন সেচ ও জলপথ মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া। সঙ্গে ছিলেন সেচ দপ্তরের প্রধান সচিব তথা অতিরিক্ত মুখ্যসচিব মণীশ জৈন, পশ্চিম মেদিনীপুরের সভাধিপতি প্রতিভা মাইতি, বিধায়ক মমতা ভুঁইয়া, জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণ, ঘাটালের মহকুমা শাসক সুপ্রভাত চট্টোপাধ্যায়-সহ অনেকে।
প্রায় দু’ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠক করেন মন্ত্রী। পরে সাংবাদিক সম্মেলন করেন তিনি। মানসবাবু সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের প্রথম দফার কাজ শেষ। ২৫ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় দফার কাজ। দ্রুতগতিতে চলছে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশমতো ২০২৭ সালের মার্চ মাসের মধ্যে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ শেষ হবে।’’ সেচ দপ্তরের তথ্য বলছে, দাসপুর ও ঘাটালের পাঁচটি স্লুইস গেটের কাজ ৯০ শতাংশ শেষ। এর ফলে ছয় হাজার ৬৮০ হেক্টর এলাকার জন্য জল নিকাশি নিশ্চিত হবে। শিলাবতী-সহ একাধিক নদী ও খালের সংস্কারের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। সবক’টি নদী ও খাল সংস্কার হবে ‘নো কস্ট মডেলে’।
সেচদপ্তর আরও জানিয়েছে, ঘাটাল শহরে দু’টি পাম্প হাউস বসানোর জন্য ৬০ কোটি টাকার টেন্ডারের কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। ওয়ার্ক অর্ডারও দেওয়া হয়ে গিয়েছে। দু’টি পাম্প হাউসের জন্য জমি ক্রয়ের কাজ চলছে। মোট ৬.৬১ একর জমির মধ্যে ৪.০৯ একর জমি সরাসরি কেনা হবে। সেজন্য আর্থিক অনুমোদনের অপেক্ষা। দাসপুরে চন্দ্রেশ্বর খাল সম্প্রসারণের জন্য ১৫৩.১৮ একর রায়তি জমি কেনার জন্য একটি সংশোধিত প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে রাজ্যের কাছে।
সর্বশেষ খবর
-
আগস্টেই ৮৯ শিশুর মৃত্যু! তদন্ত কমিটির রিপোর্টের পরেই মালদহ মেডিক্যাল কলেজের সুপারকে সরাল স্বাস্থ্যদপ্তর
-
চৈতন্য মহাপ্রভুর প্রেমবাণী সুদূর পাশ্চাত্যে, শ্রীল প্রভুপাদের হাত ধরে গোটা বিশ্বে আজ কৃষ্ণভক্তির প্লাবন
-
লাহুলে রাজমার ৪ হাজার জার্মপ্লাজম নিয়ে গবেষণা, উন্নত জাত তৈরির উদ্যোগ
-
প্যান্ডেলের বাঁশেও ডেঙ্গুর লার্ভা! পুজো কমিটিগুলিকে ‘সাবধান’ করল জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর
-
মাওয়ের মতো ‘লং মার্চ’ জামাতের, তবে হেঁটে নয়, বাসে! তারেকের বিরুদ্ধে ‘হাস্যকর’ কর্মসূচি