নিজস্ব সংবাদদাতা, বনগাঁ: ডিগ্রি নেই, শখে চিকিৎসা। তবে শখ যতদূর যায়, ততদূর হাত বাড়াতে কোনও কসুর করেননি উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার বিপ্লব কুমার মণ্ডল। নিজেকে যিনি পরিচয় দিয়েছেন চক্ষু চিকিৎসক হিসেবে। সঙ্গে ছিলেন ২ সহকারীও। সেইমতো বনগাঁর মাধবপুর গ্রামের চক্ষু পরীক্ষা শিবিরে পৌঁছে গিয়েছিলেন বিপ্লব। কিন্তু পর্দাফাঁস হয়ে আপাতত শ্রীঘরে ভুয়ো চিকিৎসক, সহকারীরা।
স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা মাধবপুর গ্রামে চক্ষু পরীক্ষা শিবিরের আয়োজন করেছিল বৃহস্পতিবার। সেখানে ডাক্তারদের কার্যকলাপ দেখে সন্দেহ হয় গ্রামবাসীদের। অভিযোগ, চোখ পরীক্ষা করে টাকার বিনিময়ে ওষুধ দেওয়া হচ্ছিল। চোখ দেখাতে ভিড় জমিয়ে ছিল গ্রামের বহু মানুষ৷ অনেকে টাকা দিয়ে ওষুধও কিনেছেন। সাধারণত এধরনের চক্ষু শিবিরগুলিতে বিনামূল্যে পরীক্ষা করা হয়। তাহলে টাকা কেন নিচ্ছেন চিকিৎসকরা? এরপরই সন্দেহ হওয়ায় তাঁরা ডাক্তার ও তাঁর সহযোগীদের কাছে দেখতে চান তাঁদের রেজিস্ট্রেশন। সেসব কিছুই দেখাতে পারেননি তাঁরা। চাপে পড়ে অন্যায় কবুল করতে বাধ্য হন বিপ্লব কুমার মণ্ডল, গৌতম শ্রীবাস্তব এবং জগৎনারায়ণ শ্রীবাস্তব, তিনজনই। স্বীকার করেন, তাঁদের কারও ডাক্তারির কোনও ডিগ্রি নেই। নিতান্তই ঝুঁকি নিয়ে চক্ষু পরীক্ষা শিবিরে এসেছেন।
[শ্বশুরবাড়িতে লাগাতার ভাসুরের ধর্ষণ, শহরে বিকৃতকাম যৌনতার শিকার বধূ]
এমন স্বীকারোক্তির পর তিনজনকে আটকে রেখে বনগাঁ থানায় খবর দেন গ্রামবাসীরা। পুলিশও প্রাথমিক তদন্তে বুঝতে পারে, তিনজনই ভুয়ো চিকিৎসক। তাঁদের বাড়ি গাইঘাটায়। কতদিন ধরে এই তিনজন এধরনের ভুয়ো কাজকর্ম চালাচ্ছেন, কারও কোনও ক্ষতি করেছে কি না, এসব বিষয় খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে তদন্ত। গ্রামবাসীরা বলছেন, ভাগ্যিস সময়মতো ধরা পড়েছিল ওই তিনজন। নইলে হয়তো বড়সড় বিপদে পড়তেন চক্ষু পরীক্ষা শিবিরে আসা মানুষজন। ধৃত তিনজনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
সর্বশেষ খবর
-
রাজ্যে এবার বুলেট ট্রেন, দিল্লি থেকে শিলিগুড়ি পৌঁছবে মাত্র ৬ ঘণ্টায়, বড় আশ্বাস রেলমন্ত্রীর
-
জল্পনার অবসান! বিশ্বকাপ শুরুর পাঁচ দিন আগে ইরানকে ভিসা মঞ্জুর আমেরিকার
-
ইবোলা পরিসংখ্যানে আশার আলো কঙ্গোতে! বিপদ কাটেনি, সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা
-
‘রেলে ১ লক্ষ কোটির কাজ, মানচিত্রে জুড়বে গোটা বাংলা’, নবান্নে রেলমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
উচ্ছিষ্ট ফুল থেকেই তৈরি হবে ধূপবাতি! রাজ্যের উদ্যোগে আশার আলো তারাপীঠ-সহ বীরভূমের বিভিন্ন মন্দিরে