Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
করোনা

বাড়িতে খাবার শেষ, পরিজন করোনা আক্রান্ত হওয়ায় বাজারে যেতে পারছেন না সুস্থরাও

পানীয় জলও পাচ্ছেন না তাঁরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০২০, ১৭:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০২০, ১৭:৩৩

options
link
বাড়িতে খাবার শেষ, পরিজন করোনা আক্রান্ত হওয়ায় বাজারে যেতে পারছেন না সুস্থরাও zoom
Advertisement

অরূপ বসাক, মালবাজার: ফের করোনা (Corona Virus) আক্রান্তের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অমানবিক আচরণের অভিযোগ উঠল প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে। খাদ্য সামগ্রী ফুরিয়ে গেলেও বাজারে যেতে পারছেন না তাঁরা। ফলে চরম সমস্যায় আক্রান্তদের গোটা পরিবার।

রাজ্যে করোনার দাপট ক্রমশ বেড়েই চলেছে। প্রতিদিন নিজেই নিজের রেকর্ড ভাঙছে আক্রান্তের সংখ্যা। সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে উত্তরবঙ্গের মালবাজারেও। চিকিতসাও চলছে। কিন্তু পরিবারের সদস্য আক্রান্ত, একথা জানাজানি হতেই বিপাকে পড়তে হচ্ছে পরিবারের সুস্থ সদস্যদের। অভিযোগ, পাড়া-প্রতিবেশীরা আক্রান্তের পরিবারের সদস্যদের ঘরের বাইরে বের হতে দিচ্ছে। যেতে দেওয়া হচ্ছে না জল আনতে। চাল ফুরিয়েছে, সে খবর পাওয়া সত্ত্বেও দোকানেও যেতে পারছেন না তাঁরা। ফলে রীতিমতো খাদ্যভাবে ভুগছেন খাদ্যের অভাবে ভুগছে পরিবারের সদস্যরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রাত বাড়তেই ভেসে আসছে মহিলার কান্না! ‘ভূতে’র আতঙ্কে কাঁটা অশোকনগর]

এক বাসিন্দার কথায়, “আমরা করোনা নেগেটিভ তবু্ও আমরা পাড়ার লোকের কাছে অছ্যুত হয়ে গিয়েছি। পাড়ার কলে জল আনতে পারছি না। বাজার করতে পারছি না। ঘরে চাল ছাড়া কোনও খাবার নেই। বাজারেও যেতে পারছি না। কীভাবে বাঁচব আমরা জানি না।” বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরই শনিবার ওই সমস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াল মালবাজার মহকুমার ওদলাবাড়ির বেশ কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এদিন মাইকিং করে সাধারন মানুষকে সচেতন করেন তাঁরা। সংগঠন এর সদস্য নন্দলাল বোস, নফসর আলি, মৃনাল সিংহ রায়, রাসেল সরকার, শেখার দে, ফিরোজ খানদের বক্তব্য, “করোনা আক্রান্তদের পরিবারে সঙ্গে অন্যায় কাজ করা হচ্ছে। এই সময় মানুষের পাশে থাকা উচিত। যদি আক্রান্তের পরিবারকে বের হতে না দেওয়া হয় সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সামগ্রী বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া উচিত।”

এ বিষয়ে মাল মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দেবাশিষ চক্রবর্তী বলেন, “এটা খুব ভাল উদ্যোগ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের। এরপরও যদি মানুষেরা না বোঝেন, তাহলে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বোঝানো হবে মানুষকে।”

[আরও পড়ুন: জলসা বন্ধ, বাংলার মাচাশিল্পীদের দুর্দশা নিয়ে বাবুল সুপ্রিয়র দ্বারস্থ ‘মীরাক্কেল’ খ্যাত রাজু মিদ্দা]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.