Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Panihati

তৃণমূল কার্যালয় রাতারাতি বদলে হল মুদিখানা! পানিহাটিতে কর্মী বিক্ষোভের মুখে প্রাক্তন কাউন্সিলর

ঘটনাটিকে উচ্চ নেতৃত্বের কাছে জানানো হবে বলে জানানো হবে বলে জানিয়েছে স্থানীয় নেতৃত্ব। গোটা ঘটনাটিকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি।

Advertisement
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ১৭:৫১

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ১৭:৫১

options
link
তৃণমূল কার্যালয় রাতারাতি বদলে হল মুদিখানা! পানিহাটিতে কর্মী বিক্ষোভের মুখে প্রাক্তন কাউন্সিলর zoom
এই মুদিখানার দোকান নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। নিজস্ব চিত্র

ছিল তৃণমূল কার্যালয়। রাতারাতি বদলে গেল মুদিখানা দোকানে। কার্যালয় দখল করে মুদিখানা দোকান করার অভিযোগ, স্বয়ং প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। অভিযোগ তুলেছে তৃণমূলই। ঘটনাটি ঘটেছে পানিহাটি (Panihati) পুরসভা এলাকায়।

পানিহাটি পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত শান্তিনগর এলাকা। অন্যান্য অনেক ওয়ার্ডের মতো এই এলাকাতেও ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়। সেই কার্যালয় দখল করে মুদিখানা দোকান খোলার অভিযোগে বিদ্ধ ওই ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর তাপস সিনহা। জানা গিয়েছে, প্রয়াত তৃণমূল নেতা কাজল সিনহা এলাকার তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে এই কার্যালয় তৈরি করেছিলেন। তারপর থেকেই তা ব্যবহার করা হয়।

Advertisement

কিন্তু রাতারাতি সেই কার্যালয় মুদিখানা দোকানে পরিণত হয়েছে। এই ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর তাপস সিনহা সেই ‘দলের জায়গা’ দখল করে মুদিখানা দোকান খুলেছেন বলে অভিযোগ। তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে দখল করে মুদিখানা দোকান চালু করার বিষয়ে প্রাক্তন কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করেন এলাকার তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা।

স্থানীয় এক তৃণমূল কর্মী জয়দেব পাইক বলেন, “ঘটনাটি আমি শুনেছি। কোনও ব্যক্তি নিজে বা কয়েকজনের সাহায্যে দলে কোনও কার্যালয় তৈরি করতেই পারেন। একবার দলের কাজে তা ব্যবহার করা হলে, তা আর কোনও ব্যক্তির নয়, দলেরই হয়ে যায়। যে কাণ্ডটি ঘটেছে তা খুব অন্যায়। আমরা উচ্চ নেতৃত্বকে জানাব।” পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক নির্মল ঘোষ বলেন, “দলীয় ব্যাপার। দলকে জানাব। যাতে দলীয় অফিস কোনওভাবে নষ্ট না হয়, আমার পক্ষে যা যা করার করব।” অভিযুক্ত প্রাক্তন কাউন্সিলর তাপস সিনহা এনিয়ে কোনও কথা বলতে চাননি।

এই গোটা ঘটনাকে কটাক্ষ করে স্থানীয় বিজেপি নেতা জয় সাহার কটাক্ষ, “কাজল সিনহা চলে যাওয়ার পর থেকে ওখানে কাউকে আর পাত্তা দেওয়া হয় না। এখন অঞ্চলটা বহিরাগতদের হাতে। তবে ওরা বুঝতে পেরেছে যে নির্বাচনে পর আর ক্ষমতায় আসবে না। কিছু করে তো সংসার চালাতে হবে। তাই মুদিখানা দোকান খুলেছে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.