Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
ভাটপাড়া

ভাটপাড়া পুর হাসপাতালে দুষ্কৃতী হামলা, রক্ষা পেল না প্রসূতি বিভাগও

সূত্রের খবর, আতঙ্কে হাসপাতাল ছেড়েছেন বহু রোগী৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৯, ১৮:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৯, ১৮:৩৭

options
link
ভাটপাড়া পুর হাসপাতালে দুষ্কৃতী হামলা, রক্ষা পেল না প্রসূতি বিভাগও zoom

আকাশনীল ভট্টাচার্য, বারাকপুর: উলটো দিকেই রয়েছে থানা৷ যেখানে ২৪ ঘণ্টা সশস্ত্র অবস্থায় মোতায়েন রয়েছেন পুলিশ কর্মীরা৷ কিন্তু সেই নিরাপত্তা ঘেরাটোপের তোয়াক্কা না করেই, এবার ভাটপাড়া পুর হাসপাতালে তাণ্ডব চালাল দুষ্কৃতীরা৷ লণ্ডভণ্ড করে দেওয়া হল হাসপাতালের নিচের তলা৷ হামলা করা হল হাসপাতালের কর্মী ও রোগীর পরিজনদের উপর৷ ঘটনায় গুরুতর জখম দু’জন৷ আতঙ্ক এতটাই গ্রাস করেছে যে, ভয়ে হাসপাতাল ছাড়লেন অনেক রোগী৷ যাঁরা রয়েছেন, তাঁরাও প্রহর কাটাচ্ছেন প্রবল আশঙ্কায়৷

[ আরও পড়ুন: যখনতখন ঘরে আগুন, ‘ভূতুড়ে’ কাণ্ডে আতঙ্কে বসিরহাটের বাসিন্দারা]

Advertisement

অভিযোগ, এদিন সকালে অতর্কিতে ভিতরে ঢুকে ভাঙচুর করতে শুরু করে একদল দুষ্কৃতী৷ প্রথমেই হামলা করা হয় রিসেপশনে৷ নিশানা করা হয় প্রসূতি বিভাগকেও৷ মারধর করা হয় নার্স, হাসপাতালের কর্মী, রোগীর পরিজনদের৷ লুঠ করা হয় টাকাপয়সা৷ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রোগীদের মধ্যে প্রবল আতঙ্ক তৈরি হয়৷ জানা গিয়েছে, সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে আসে ভাটপাড়া থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী৷ তাঁদের তৎপরতায় দুষ্কৃতীমুক্ত হয় হাসপাতাল চত্বর৷ কিন্তু তাতেও যেন রোগীদের মনের আতঙ্ককে দূর করা যায়নি৷ সূত্রের খবর, ভয়ে অনেক রোগী হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন৷ চিকিৎসকরাও ভুগছেন প্রাণসংশয়ে৷ এই ঘটনায় চোট পান দু’জন৷ এই ঘটনায় ইতিমধ্যে প্রশাসনের সক্রিয়তা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে৷ থানার উলটো দিকে হাসপাতাল হওয়া সত্ত্বেও, কীভাবে এমন অনায়াসে ঢুকতে পারলেন দুষ্কৃতীরা? এবং তাণ্ডবলীলা চালিয়ে কীভাবে চম্পট দিল তারা? উঠতে শুরু করেছে এই একাধিক প্রশ্ন৷

[ আরও পড়ুন: মহিলাদের শৌচালয়ে গোপন ক্যামেরা! মোবাইলে নজরদারি চালাচ্ছেন সরকারি আধিকারিক ]

প্রসঙ্গত, শুক্রবার সকাল থেকেই দুষ্কৃতী তাণ্ডবে উত্তপ্ত ভাটপাড়া-কাঁকিনাড়া৷ মুড়ি-মুড়কির মতো পড়ে বোমা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ। সূত্রের খবর, গোটা ঘটনায় দু’জন জখম হন। এদিকে এলাকায় লাগাতার বোমাবাজি ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে এবং শান্তি ফেরানোর দাবিতে সোমবার সকাল থেকেই রেল অবরোধ করেন সেখানকার বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, দিনের পর দিন অশান্তি চলেই যাচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে না। প্রায় দু’ঘণ্টারও বেশি সময় জুড়ে চলে অবরোধ-বিক্ষোভ। যার জেরে চরম দুর্ভোগে পড়েন শিয়ালদহ শাখার যাত্রীরা। সকাল সওয়া নটা থেকে চালু হয় অবরোধ। চলে বেলা সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত। পরে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এদিন কাঁকিনাড়া কাটাডাঙা রেল কোয়ার্টার থেকে পঞ্চাশটি তাজা বোমা উদ্ধার করে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.