Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Sharadwat Mukhopadhyay

সরকারি হাসপাতালে চরকিপাক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর, জনসাধারণের অভিযোগ শুনে স্বাস্থ্যকর্তাকে কড়া ধমক!

তিনদিনের জেলা সফরে এসে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় কোথাও হাসপাতাল সুপারকে ধমক দিলেন। আবার কোথাও দিলেন হাসপাতালকে ঢেলে সাজানোর বার্তা। নন্দীগ্রাম, হলদিয়া, ভগবানপুর, পটাশপুর-সহ বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে রাতে এগরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পৌঁছন তিনি।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২, ২০২৬, ০৯:০৭

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২, ২০২৬, ০৯:০৭

options
link
সরকারি হাসপাতালে চরকিপাক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর, জনসাধারণের অভিযোগ শুনে স্বাস্থ্যকর্তাকে কড়া ধমক! zoom
সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

তিনদিনের জেলা সফরে এসে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় কোথাও হাসপাতাল সুপারকে ধমক দিলেন। আবার কোথাও দিলেন হাসপাতালকে ঢেলে সাজানোর বার্তা। নন্দীগ্রাম, হলদিয়া, ভগবানপুর, পটাশপুর-সহ বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে রাতে এগরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পৌঁছন তিনি। হাসপাতালে পরিষেবা দেখে ভর্ৎসনা করেন। সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অভাব অভিযোগ শুনে ধমক দেন হাসপাতালের সুপার ও অ্যসিস্ট্যান্ট সুপারকে। হাসপাতালের এমার্জেন্সি বিভাগ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়ভার নিজের ঘাড়ে নিয়ে হাসপাতালের হাল ফেরানোর দায়িত্ব নেন।

জেলা সফরের দ্বিতীয় দিনে শনিবার দিঘা রাজ্য সাধারণ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বৃক্ষরোপণ করেন। উপস্থিত ছিলেন রামনগরের বিধায়ক ড. চন্দ্রশেখর মণ্ডল। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতার প্রশংসা করে তিনি ১০-এ ১০ নম্বর দেন। পরিদর্শন শেষে তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে হাসপাতালের পরিষেবা, পরিকাঠামোর মানোন্নয়ন এবং সুরক্ষামূলক একাধিক ব্যবস্থা নিয়ে পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। চিকিৎসক ও কর্মীসংকট এবং পরিষেবা মানোন্নয়ন নিয়ে মন্ত্রী জানান, “দিঘা হাসপাতালে এই মুহূর্তে যা পরিষেবা চালু রয়েছে, সেখানে মূল সমস্যা হল ‘ম্যান পাওয়ার’ বা চিকিৎসক ও কর্মীসংকট।” এদিন সকাল থেকে একইভাবে হাসপাতাল পরিদর্শন শুরু করেন। সৈকত নগরী দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি চিকিৎসকের সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

হাসপাতালে অন্তত পাঁচজন জেনারেল ডিউটি মেডিক্যাল অফিসার, তিনজন শল্য চিকিৎসক তিনজন অস্থিরোগ বিশেষজ্ঞ, একজন শিশুরোগ, স্ত্রীরোগ, একজন অ্যানাস্থেসিস্ট এবং অন্তত দু’জন রেডিওলজিস্ট প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বিশেষ করে সার্জেন, অর্থোপেডিক এবং রেডিওলজিস্টের তীব্র অভাব রয়েছে। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতার প্রশংসা করে তিনি ১০-এ ১০ নম্বর দেন। বলেন, “ওভার অল দেখলে ১০-৯ নম্বর দেব। দিঘাকে আর নন্দীগ্রামকে এগিয়ে রাখব।” দিঘায় পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। কারণ এখানে শনি ও রবিবার পর্যটকদের বিপুল ভিড় বা জনঘনত্ব থাকে। তিনি আরও জানান, মুখ্যমন্ত্রী উদ্যোগে রাজ্যে ‘মোবাইল মেডিক্যাল ইউনিট’ চালু হচ্ছে, যা চাকার ওপর চলবে। দিঘায় খুব শীঘ্রই তা চলে আসবে। এই ইউনিটে হ্যান্ডহেল্ড এক্স-রে মেশিন, ল্যাব, ইসিজি এবং কার্ডিয়াক প্রোব বা ইকোকার্ডিওগ্রাফি করার সুবিধা-সহ আল্ট্রাসোনোগ্রাফি মেশিন থাকবে।

এদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী কাঁথি মহকুমা হাসপাতালও পরিদর্শন করেন। ছিলেন কাঁথির সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী, রাজ্যের সেচমন্ত্রী অরূপ কুমার দাস, উত্তর কাঁথির বিধায়ক সুমিতা সিনহা। কাঁথি মহকুমা হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নয়নের বার্তা দেন তিনি। পাশাপাশি বেশ কিছু স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের কথাও বলেন। কাঁথি হাসপাতালে আংশিক চিকিৎসক নিয়োগ করার কথা ঘোষণা করেন। কাঁথি হাসপাতালের নার্সিং ইন্টার্নশিপের ব্যবস্থা করার কথাও বলেন। এদিন তমলুক হাসপাতালও পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। সূত্রের খবর, জেলা সফরের শেষে রবিবার জেলার মন্ত্রী, বিধায়ক, জেলাশাসক, স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিক এবং মহকুমা শাসকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। বৈঠক শেষের পর সার্বিক পরিস্থিতি মুখ্যমন্ত্রীকে জানাবেন তিনি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.