Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Howrah

বিনিয়োগের ২৫ মাসে দ্বিগুণ টাকা! ১৬ কোটি ‘প্রতারণা’য় গ্রেপ্তার ৬

শেয়ারে বিনিয়োগের নাম করে এরা টাকা নিত। কিছু টাকা ফেরতও দিত যাতে আরও বেশি টাকা গ্রাহকরা বিনিয়োগ করেন।

অরিজিৎ গুপ্ত
অরিজিৎ গুপ্ত

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২৬, ১৭:০৩

link
অরিজিৎ গুপ্ত
অরিজিৎ গুপ্ত

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২৬, ১৭:০৩

options
link
বিনিয়োগের ২৫ মাসে দ্বিগুণ টাকা! ১৬ কোটি ‘প্রতারণা’য় গ্রেপ্তার ৬ zoom
আর্থিক 'প্রতারণা'য় হাওড়া থেকে গ্রেপ্তার ৬ জন। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

বিনিয়োগ করলে ২৫ মাসে দ্বিগুণ টাকা গ্রাহককে দেওয়া হবে। এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার গ্রাহকদের থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে আর সেই টাকা ফেরত দেয়নি একটি চিটফান্ড কোম্পানি। এভাবে প্রায় ১৬ কোটি টাকা গ্রাহকদের না দিয়ে জালিয়াতি করে কোম্পানিটি। অবশেষে ওই কোম্পানির ৬ জনকে গ্রেপ্তার করল হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দারা। ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে তারা।

বৃহস্পতিবার হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের তরফে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে জানানো হয়েছে, ব্লুমওয়েলথ ব্র্যান্ড ইক্যুইটি ব্রোকার প্রাইভেট লিমিটেড নামে ওই চিটফান্ড কোম্পানিটি ১৮৫ জনেরও বেশী গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তা আর ফেরত না দিয়ে কোটি কোটি টাকার জালিয়াতি করেছে। এই কোম্পানির ডায়রেক্টর সুজয় কাঞ্জিলাল- সহ নমিতা কাঞ্জিলাল, সুদৃষা কাঞ্জিলাল ও আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মূলত কাঞ্জিলাল পরিবারই এই কোম্পানিটির মালিক। কিছুদিন আগে ব্যাঁটরা থানায় এক জন অভিযোগকারী আসেন। উনি জানান, তাঁদের কাছ থেকে ১৩ লক্ষ টাকা জালিয়াতি হয়েছে। থানা অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করে। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে এরকম প্রায় ১৮৫ জন লোকের সঙ্গে জালিয়াতি হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন থানায় ১২টা মামলা রজু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত পুলিশ জানতে পেরেছে প্রায় ১৬ কোটি টাকার জালিয়াতি হয়েছে।

Advertisement

বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলনে হাওড়া সিটি পুলিশের ডিসিডিডি রাহুল মিশ্র বললেন, ‘‘এই চিটফান্ড কোম্পানি বিভিন্ন লোককে বলতো আমরা আপনাদের টাকা ২৫ মাসে দ্বিগুণ করে দেব। শেয়ারে বিনিয়োগের নাম করে এরা টাকা নিত। কিছু টাকা ফেরতও দিত যাতে আরও বেশি টাকা গ্রাহকরা বিনিয়োগ করেন। আমরা তদন্ত চলাকালীন ৪১৩টি কেওয়াইসির কাগজপত্র বাজেয়াপ্ত করেছি। আর কাদের সঙ্গে জালিয়াতি হয়েছে তা তদন্ত করছে পুলিশ।’’ উল্লেখ্য, এদের অনেক জায়গায় অফিস আছে। হাওড়ায় চ্যাটার্জিহাট থানা এলাকায় অফিস আছে। এছাড়া হেয়ারস্ট্রিট, বর্ধমানেও অফিস আছে এই কোম্পানির। কলকাতা, বর্ধমান, হাওড়া জেলার প্রচুর লোকের সঙ্গে এই জালিয়াতি হয়েছে। ২০১২ সাল থেকে এই কোম্পানিটি চালু হয়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.