Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬
ISC Result 2026

কবিতা-গল্পে অবসর যাপন, চারশোয় ৪০০ পেয়ে আইএসসি টপার বঙ্গকন্যা অনুষ্কা

সাফল্যের নেপথ্যে স্কুলশিক্ষকদের অবদান আর কঠোর পরিশ্রমের কথা বলছে বারাকপুরের ছাত্রী।

Advertisement
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১৬:৫৮

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১৬:৫৮

options
link
কবিতা-গল্পে অবসর যাপন, চারশোয় ৪০০ পেয়ে আইএসসি টপার বঙ্গকন্যা অনুষ্কা zoom
আইএসসি পরীক্ষায় দেশের সেরা বঙ্গকন্যা অনুষ্কা ঘোষ। নিজস্ব ছবি

দশম, দ্বাদশ শ্রেণিতে দারুণ ফলাফল করা মানে কিছুটা সিলেবাসমুখী পড়াশোনা। কিন্তু সম্প্রতি কয়েকটি বছরে দেখা যাচ্ছে, এই ট্রেন্ড ভেঙেছে। বইমুখো হয়ে সারাক্ষণ থাকা নয়, বরং নিজের আনন্দে পড়াশোনা করেও যে বোর্ড পরীক্ষায় শীর্ষস্থান ধরে রাখা যায়, তার প্রমাণ দিয়ে চলেছে জেন জি। ২০২৬ সালের আইসিএসই ও আইএসসি পরীক্ষার ফলপ্রকাশ হয়েছে বৃহস্পতিবার। তাতে দশম ও দ্বাদশ – দুই পরীক্ষাতেই ছাত্রদের টেক্কা দিয়েছে ছাত্রীরা। পাশের হার এবং দারুণ ফলাফলের নিরিখে মেয়েরা এগিয়ে। চারশোয় চারশো পেয়ে আইএসসি টপার (Topper in ISC Exam 2026) হয়েছে বাংলার মেয়ে অনুষ্কা ঘোষ। এত বড় সাফল্যে অবশ্য ভেসে যেতে রাজি নয় অষ্টাদশী বঙ্গকন্যা। বলছে, কঠোর পরিশ্রমেই এই সাফল্য। এর কোনও বিকল্প নেই। এও জানাচ্ছে, অবসরে কবিতা-গল্প লিখতে ভালোবাসে।

পানিহাটি সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলে সহপাঠী, শিক্ষকদের সঙ্গে অনুষ্কা। নিজস্ব ছবি

এবারের আইএসসি পরীক্ষায় মোট পাশের হার ৯৯.১৩ শতাংশ। এর মধ্যে ছাত্রীদের পাশের হার ৯৯.৪৮ শতাংশ এবং ছাত্রদের পাশের হার ৯৮.৮১ শতাংশ। এর মধ্যেই উজ্জ্বলতম হয়ে মেধাতালিকার শীর্ষে উঠে এল বারাকপুরের মেয়ে, পানিহাটি সেন্ট জেভিয়ার্সের ছাত্রী অনুষ্কা ঘোষ। চারশোর মধ্যে ৪০০ নম্বরই পেয়েছে সে। এমন সাফল্যের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অনুষ্কা নিজের অনেক খুঁটিনাটি কথাই জানাল। সর্বভারতীয় পরীক্ষায় ফুল মার্কস পেয়ে প্রথম হয়েছে, সেজন্য দারুণ আনন্দ অনুষ্কার। নির্দ্বিধায় সে বলছে, ‘‘আমি এমনিতেই খুব উদ্বেগে ভুগি। কাল (বুধবার) রাতে যখন শুনলাম যে আজ রেজাল্ট বেরবে, খুব চিন্তা হচ্ছিল। আসলে পরীক্ষার সময় শরীরটা একটু খারাপ ছিল। ইংরাজি পরীক্ষা দিয়েছি জ্বর নিয়ে। তাই টেনশন ছিল কেমন হবে। কিন্তু আজ রেজাল্ট দেখে আমি তো আনন্দে চিৎকার করে উঠেছি! আসলে আইসিএসই-তে ইংরাজিতে ২ নম্বর কম পেয়েছিলাম, আক্ষেপ ছিল। এবার তো ফুল মার্কস হয়ে গেল।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
দেশের সেরা হয়ে স্কুল শিক্ষিকার আদরে অনুষ্কা। নিজস্ব ছবি

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী? অনুষ্কা জানাল, ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চায়। সেইমতো প্রস্তুতি নিচ্ছে। এত বড় সাফল্যের নেপথ্যে কার অবদান সবচেয়ে বেশি? তাতে ‘ফার্স্ট গার্ল’-এর জবাব, স্কুলের শিক্ষক এবং মায়ের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। তবে পরিশ্রমের কথা বারবার সে বলছে। অনুষ্কার কথায়, ”আমার এক শিক্ষক বলেছিলেন যে মেধাবীদের চেয়ে পরিশ্রমীদের বেশি কদর বিশ্বে। তারপর থেকে আমি মাথায় ঢুকিয়ে নিয়েছি, যা কিছু করব তার পিছনে যেন নিবিড় পরিশ্রম থাকে। তাহলে সাফল্যে বেশি আনন্দ হবে।” কতক্ষণ পড়াশোনা করত? নাহ, বাঁধাধরা কোনও সময় ছিল না। বাড়িতে থাকলে পড়াশোনার মধ্যেই থাকত। পড়তে পড়তে ক্লান্ত হলে নিজের পছন্দের কাজ করত। কী সেই কাজ? হাসিমুখে অষ্টাদশী জানাচ্ছে, কবিতা লিখতে সে বড় ভালোবাসে। ইদানিং কবিতার চেয়ে গল্প বেশি লিখছে লেখনীশক্তি বাড়িয়ে তুলতে। জীবনের সব ক্ষেত্রে প্রথম হোক বা না হোক, এ মেয়ে খাঁটি মানুষ হবে, তা বেশ বোঝা যাচ্ছে এখন থেকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.