আগামী ১৫ আগস্টের মধ্যে এলপিজি গ্রাহকদের ই-কেওয়াইসি করাতে হবে। না করলে আর স্বাভাবিক নিয়মে গ্যাস বুক করে সিলিন্ডার পাওয়া যাবে না। অর্থাৎ হাতে আর দিন দশেক রয়েছে। তাই ঝটপট ই-কেওয়াইসি সেরে ফেলুন। কীভাবে করবেন, জেনে নিন পদ্ধতি।
- গ্রাহকদের নিজের সুবিধামতো ইন্ডিয়ান অয়েলের ‘ইন্ডিয়ান অয়েল ওয়ান’, ভারত পেট্রলিয়ামের ‘হ্যালো বিপিসিএল’ কিংবা এইচপি-র ‘এইচ পে’ অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। তাতে ই-কেওয়াইসি অপশনে যেতে হবে। ফেস রেকগনিশনের মাধ্যমে ই-কেওয়াইসি করা যাবে।
- অনলাইনে করতে না পারলে অফলাইনেও রয়েছে ই-কেওয়াইসি করাতে পারবেন। সেক্ষেত্রে ডিস্ট্রিবিউটারের অফিসে যেতে হবে। ফেস রেকগনিশন কিংবা রেটিনা স্ক্যানের মাধ্যমে ই-কেওয়াইসি করা যাবে।
- প্রবীণ কিংবা হাঁটাচলায় সমস্যা হয় এমন উপভোক্তাদের ক্ষেত্রে এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটারের তরফে বাড়িতে কর্মী পাঠিয়ে বায়োমেট্রিক যাচাই প্রক্রিয়ার ব্যবস্থা করা হতে পারে।
আরও পড়ুন:
উপভোক্তার নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ই-কেওয়াইসির আগে করতে হবে:
- যদি সন্তান উত্তরাধিকারী হন, সেক্ষেত্রে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটারের অফিসে নথি নিয়ে যেতে হবে। আবেদন করলেই নাম পরিবর্তন হবে।
- আবার কোনও আত্মীয় আবেদন করলে শুধু নথিতে হবে না। গ্রাহকের সম্মতিপত্র লাগবে।
- আবার ঠিকানা বদলের ক্ষেত্রে ডিস্ট্রিবিউটারের কাছ থেকে ‘টার্মিনেশন অ্যান্ড ট্রান্সফার ভাউচার’ সংগ্রহ করতে হবে। তা আবার নতুন ডিস্ট্রিবিউটারের কাছে জমা দিতে হবে। তাহলেই নতুন ঠিকানায় পৌঁছবে রান্নার গ্যাস। নাম এবং ঠিকানা বদলের পরই ই-কেওয়াইসি করাতে হবে।
ই-কেওয়াইসি করা না থাকলে খোলাবাজার থেকে সিলিন্ডার কিনতে হবে। যার দাম প্রায় ৩ গুণ। এই মুহূর্তে কলকাতায় ১৪ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৯৬৮টাকা। উজ্জ্বলা যোজনার গ্যাসে আরও ৩০০ টাকা ভরতুকি পান গ্রাহকরা। ই কেওয়াইসি না করানো হলে উজ্জ্বলা যোজনার গ্যাসও মিলবে না। সেক্ষেত্রে খোলাবাজার থেকে বাণিজ্যিক গ্যাস কেনা ছাড়া উপায় থাকবে না। যার দাম এই মুহূর্তে ১৮৭৩ টাকা। জানা গিয়েছে, তেল সংস্থাগুলি গ্রাহকদের ই-কেওয়াইসি করানোর জন্য চাপ দিচ্ছে গ্যাস ডিলারদের। তবে সিংহভাগ গ্রাহকের ওই প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়ে রয়েছে। যা খবর তাতে ই-কেওয়াইসি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে ৯৩-৯৫ শতাংশ গ্রাহকের।
কেন করানো হচ্ছে ই-কেওয়াইসি? পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক সূত্রে খবর, সারা দেশে রান্নার গ্যাসের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও একটি বড় অংশ অসাধু উপায়ে গৃহস্থের গ্যাসকেই বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে ব্যবহার করছে। এমনকী গৃহস্থালির জন্য বরাদ্দ ভর্তুকিযুক্ত সিলিন্ডার অনেক সময় হোটেল, রেস্তোরাঁ বা কলকারখানায় পাচার হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে সাধারণ গ্রাহকরা সময়মতো সিলিন্ডার পাচ্ছেন না এবং কৃত্রিম সরবরাহ সংকট তৈরি হচ্ছে। এই কালোবাজারি আটকাতেই নয়া নিয়ম আনা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বাবার লড়াই ক্যানসারের সঙ্গে, অভাবের সংসারে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন, নিটে দুর্দান্ত ফল ঝাড়গ্রামের সাগরের
-
হিরোশিমা ও এক বালিকা: কালো বৃষ্টি, ঝলসে যাওয়া মানুষের ভিতর বেঁচে থাকার কাহিনি
-
বিশ্বকাপের পরেই দুঃসংবাদ, না ফেরার দেশে লিওনেল মেসির বাবা
-
শিল্পে সুদিন ফেরাতে জমিনীতিতে আমূল বদল! মঙ্গলে নবান্নে জরুরি বৈঠকের ডাক শিল্পমন্ত্রীর
-
অনাস্থা আনতেই কৌশলি ধুলিয়ান পুরসভার চেয়ারম্যান! ফেসবুকে রাহুলের ‘বরাই’, কংগ্রেসের পথে তৃণমূল নেতা?