ভারত তো বৈচিত্রময় দেশ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য থেকে সর্বধর্মের সমন্বয় যেমন রয়েছে তেমনই এদেশে রয়েছে বাহারি পদের রকমারি খাবার। দেশ-বিদেশের মানুষের ভারতীয় খাবারের প্রতি কিন্তু একটা আলাদা আকর্ষণ আছে, তা বললে অত্যুক্তি হবে না। ভারতীয় খাবারে মজলেন বিদেশি মুন্ডা নিক জোনাস ও তাঁর ভাই জো জোনাস। তবে এক্ষেত্রে বলে রাখা প্রয়োজন, ভারত সফরে এলে ডায়েট ভুলে বরাবরই নির্দিষ্ট রেস্তরাঁতেই পছন্দের খাবার খান বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কার চোপড়া স্বামী ও দেওর।
এবার ভারত সফরে কী কী খেলেন জোনাস ব্রাদার্স? রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয় দুই ভাই নিয়মিত এখানে আসেন। তাঁদের পছন্দের কয়েকটি বাছাই করা খাবার পরিবেশন করা হয়। শেষ সফরে জোনাস ব্রাদার্সের পাতে ছিল রানি কচুরি, অনিয়ন ভাজিয়া, রয়্যাল পিস্তা ল্যাম্ব চপ থেকে মুর্গ মাখানি এবং পাপড় কি টোকরির মতো নানান পদ।
আরও পড়ুন:

‘দেশি গার্ল’ প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার সঙ্গে বৈবাহিকবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর ভারতের প্রতি ভালোবাসা তো আগেই তৈরি হয়েছিল। সেই সঙ্গে এদেশের রকমারি সুস্বাদু পদে ভুরিভোজ সেরে যেন আরও একবার ভারতীয় খাবারের প্রেমে পড়েছেন নিক! সমাজমাধ্যমে দেশীয় খাবারের প্রতি ভালোবাসা নিজেই জাহির করলেন প্রিয়াঙ্কার মনের মানুষ নিক জোনাস। ছোট্ট ভিডিও পোস্টের ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘স্টাফ’ (STUFF)।
View this post on Instagram
আসলে ‘জোনাস ব্রাদার্স ট্যুর’ উপলক্ষে ভারতে এসেছিলেন ভ্রাতৃদ্বয়। ভাই জো জোনাসকে সঙ্গে নিয়ে একটি ভারতীয় রেস্তরাঁয় পেটপুজো করতে গিয়েছিলেন নিক। তাঁর এই ভারত সফরের সঙ্গী ছিলেন স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাস ও রাজকন্যা মালতি ম্যারি চোপড়া জোনাস।
কবজি ডুবিয়ে মনপসন্দ খানাপিনায় যে দারুণ খুশি দুই ভাই, তা ভিডিওতেই স্পষ্ট। ভারত সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন গায়ক নিক জোনাস। এরপরই সোশাল মিডিয়ায় রেস্তরাঁয় বসে খাবারের ঝলক শেয়ার করেছেন।

সাম্প্রতিক অতীতে এক সাক্ষাৎকারে ৩৩ বছর বয়সী এই গায়ক জানিয়েছিলেন তাঁর পছন্দের ভারতীয় খাবারের তালিকায় রয়েছে বাটার চিকেন, পনির, সাগ পনির, মসালা পনির, রায়তা, নান এবং চিকেন বিরিয়ানি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
দেশে উচ্চশিক্ষিত বেকারের সংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী, অথচ সম্পদের চূড়ায় টুলু মণ্ডলরা
-
পর্তুগালে মোটা মাইনের চাকরির টোপ! মদের দোকানির কাছে বিক্রি করা হল ভারতীয় তরুণীকে, তারপর…
-
বাবার লড়াই ক্যানসারের সঙ্গে, অভাবের সংসারে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন, নিটে দুর্দান্ত ফল ঝাড়গ্রামের সাগরের
-
হিরোশিমা ও এক বালিকা: কালো বৃষ্টি, ঝলসে যাওয়া মানুষের ভিতর বেঁচে থাকার কাহিনি
-
বিশ্বকাপের পরেই দুঃসংবাদ, না ফেরার দেশে লিওনেল মেসির বাবা