বাবুল হক, মালদহ: বেলা গড়াতেই মালদহে গণবিবাহের আসরে উপস্থিত হলেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘুরে দেখলেন বিয়ের আসর। মাতৃস্নেহে ঠিক করে দিলেন বর-কনের টোপর। আদিবাসী নৃত্যে পা-ও মেলান মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাছে পেয়ে আপ্লুত রব-কনের পরিবার।
মাস খানেক আগে মালদহে আদিবাসীদের হিন্দুমতে বিয়ে দিয়ে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ উঠেছিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বিরুদ্ধে। গণবিবাহের আসর পরিণত হয় রণক্ষেত্রে। সেই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন গণবিবাহের আয়োজনের। সেই মতো মালদহে বৃহস্পতিবার গণবিবাহের আয়োজন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টা নাগাদ বিবাহ প্রাঙ্গণে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী। মঞ্চ থেকেই তিনি জানান, শুধু মালদহ নয় আগামীতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় আদিবাসীদের গণবিবাহের আয়োজন করা হবে। শীঘ্রই উত্তরবঙ্গের চা-বলয়ের আদিবাসী শ্রমিকদের নিয়ে গণবিবাহের আয়োজন করা হবে বলেও জানান তিনি। মঞ্চ থেকেই যে ৩০০ যুগল এদিন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবেন তাঁদের শুভেচ্ছাও জানান।

[আরও পড়ুন: যেমন খুশি বানান লিখলেও মাফ মাধ্যমিকে, পর্ষদের নয়া নিয়মে অসন্তুষ্ট পরীক্ষকরা]
এরপরই মঞ্চ থেকে নেমে তিনি চলে যান বর-কনেদের কাছে। সেখানে গিয়ে ঘুরে ঘুরে গোটা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন। কনের গলার হার, বরের টোপর নিজে হাতে ঠিক করে দেন তিনি।

হাতে তুলে দেন উপহার। এরপর আদিবাসী মহিলাদের সঙ্গে তালে তালে পা মেলান মুখ্যমন্ত্রী।

স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে খুশির জোয়ারে ভাসেন হবু দম্পতি থেকে শুরু করে স্থানীয়রা। তবে এদিনও গণবিবাহে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে দিসম পার্টির নেতা মোহন টুডু ও তাঁর দলবল। বিদ্রোহী মোড় এলাকায় বিক্ষোভ দেখায় তাঁরা। ঘটনার জেরে আটক করা হয়েছে মোহন টুডুকে।
দেখুন ভিডিও:
[আরও পড়ুন: পাটনায় রহস্যমৃত্যু বোনের, ময়নাতদন্ত ছাড়াই বর্ধমানের বাড়িতে দেহ নিয়ে ফিরলেন দিদি]
সর্বশেষ খবর
-
বন্যায় কাঁদছে অসম! এখনও ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষাধিক মানুষ, ১১ হাজার হেক্টর কৃষিজমি জলমগ্ন, মৃত ১০০
-
পরমাণু চুক্তি নিয়ে সুর নরম, ইরান হরমুজে খুলে দিলেই নিষ্ফলা যুদ্ধে ইতি টানবেন ট্রাম্প!
-
মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে কলকাতার যুবকদের উজবেকিস্তানে ‘পাচার’, তারপর…
-
রাজারহাটের অভিজাত আবাসনে পানীয় জলদূষণ! অসুস্থ বহু বাসিন্দা, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়
-
অটো চালিয়ে অসুস্থকে বিনামূল্যে পৌঁছে দেন হাসপাতালে, ভাইরাল গভীর রাতের ‘শেরনি’