BREAKING NEWS

১২ কার্তিক  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

‘টেন্ডার না পেয়ে কাজে বাধা দিলে কড়া শাস্তি’, শিলিগুড়িতে ‘পথশ্রী’র সূচনায় হুঁশিয়ারি মমতার

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: October 1, 2020 4:17 pm|    Updated: October 1, 2020 6:37 pm

An Images

সংগ্রাম সিংহরায়, শিলিগুড়ি: পুজোর আগে রাজ্যজুড়ে ১২ হাজার কিলোমিটার রাস্তা সংস্কারের কর্মযজ্ঞে নামল রাজ্য সরকার। উত্তরবঙ্গ ছাড়ার আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে শিলিগুড়ির (Siliguri) উপকণ্ঠে পূর্ব ধনতলা এলাকা থেকে পথ সংস্কার এবং তৈরিতে ‘পথশ্রী’ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর তারপরই কাজে বাধা দেওয়া নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি। বললেন, ”যারা টেন্ডার পাবেন না, তারা যদি কাজে বাধা সৃষ্টি করেন, তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে রাজ্য।” এই ধরনের অভিযোগ পেলে পুলিশ যেন দ্রুত কড়া পদক্ষেপ নেয়, তা নিয়েও সতর্ক করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

অনেক সময়েই দেখা যায় যে সরকারি কোনও প্রকল্পের টেন্ডার না পেলে ওই সংস্থার কর্মীরা প্রতিহিংসাবশত কাজে বাধা তৈরির চেষ্টা করেন। তৈরি হয় হাজারও সমস্যা। কাজ শেষ হতে দেরি হয়। সরকারি আধিকারিকদের মুখেই এসব অভিযোগ শুনেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার তাই নিজেই কড়াভাবে জানিয়ে দিলেন যে টেন্ডার না পেয়ে সরকারি কাজে বাধা তৈরি করলে, তার ফল মোটেই ভাল হবে না। কেউ পার পাবেন না, কঠিন শাস্তির মুখে পড়তেই হবে। পুলিশও যাতে এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ামাত্রই দ্রুত কড়া পদক্ষেপ করে, উদ্বোধনের সময়ে শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারকে পাশে দাঁড় করিয়ে এই বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও জানান, শুধু কর্মরত সংস্থা বা সরকারি আধিকারিকরাই নন, এ বিষয়ে কোনওরকম গন্ডগোল বা অস্বচ্ছতা টের পেলে সাধারণ মানুষও ‘দিদিকে বলো’ বা মুখ্যমন্ত্রীর গ্রিভান্স সেলে অভিযোগ জানাতে পারবেন।

[আরও পড়ুন: সপ্তাহান্তে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের সম্ভাবনা, পুজোর মুখে রাজ্যে ফের দুর্যোগের আশঙ্কা]

এদিন বেলা ১টা নাগাদ রাজগঞ্জ ব্লকের পূর্ব ধনতলায় ‘পথশ্রী’র সূচনা করেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। এ প্রকল্প অনুযায়ী, রাজ্যজুড়ে মোট ১২ হাজার কিলোমিটার রাস্তার সংস্কার এবং নতুন রাস্তা তৈরি হবে। যদিও নতুন তৈরি হওয়া রাস্তার পরিমাণ খুবই কম। বেশিরভাগ রাস্তার সংস্কার হবে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই এই কাজ শেষ করার টার্গেট দেওয়া হয়েছে। গোটা কাজটাই কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালনা ও নজরদারি করবে রাজ্য সরকার।

[আরও পড়ুন: ‘রাস্তায় জনতার সামনে এনকাউন্টার করা উচিত দোষীদের’, হাথরাস কাণ্ডে কড়া মন্তব্য লকেটের]

হাথরাসে দলিত যুবতীর উপর নৃশংস যৌন নির্যাতন ও তাঁর মৃত্যু নিয়ে সকালে টুইটারে সরব হওয়ার পাশাপাশি তিনি এই প্রকল্পের সূচনাতেও নিজের প্রতিক্রিয়া জানান। বলেন, ”কখনও দলিত, কখনও সংখ্যালঘু, কখনও আদিবাসীদের উপর এভাবেই অত্যাচার চলছে। সীতাকে যেভাবে অগ্নিপরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল, ওখানেও তেমনই চলছে।  আমাদের রাজ্যে এ ধরনের ঘটনায় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পদক্ষেপ করা হয়।”

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement