আকাশনীল ভট্টাচার্য, বারাকপুর: কয়েকটি হাতে লেখা, কয়েকটি আবার ছাপানো। মাওবাদী পোস্টার পড়ল শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার ব্যস্ততম স্টেশন সোদপুরে৷ এই পোস্টার ঘিরেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্ল্যাটফর্ম থেকে কমপক্ষে ২৫টি পোস্টার উদ্ধার করেছে রেল পুলিশ। মুখে কুলুপ প্রশাসন ও রেল পুলিশের কর্তাদের।
[ সাঁতরাগাছি ওভারব্রিজে পদপিষ্টের ঘটনায় জমা পড়ল তদন্ত রিপোর্ট]
দক্ষিণ শাখার সোদপুর থেকে নিত্যদিন কলকাতায় যাতায়াত করেন বহু মানুষ।সেই সোদপুর স্টেশনেই কিনা দিনেদুপুরে পোস্টার সেঁটে দিয়ে গেল মাওবাদীরা৷ শুক্রবার দুপুরে এক নম্বর প্ল্যাটফর্মে ওঠার সিঁড়িতে প্রথমে মাওবাদীদের পোস্টার দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দা ও নিত্যযাত্রীরা।এরপর একই পোস্টার নজরে পড়ে চার নম্বর প্ল্যাটফর্মের টিকিট কাউন্টারের সামনেও।ঘটনাটি জানাজানি হতেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সোদপুর স্টেশনে কমপক্ষে ২৫টি মাওবাদী পোস্টার লাগানো হয়েছিল।কয়েকটি পোস্টার লাল ও কালো কালি দিয়ে হাতে লেখা হয়েছিল।আর বাকিগুলি ছাপানো।ছাপানো পোস্টারগুলির নিচে ‘ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি(মাওবাদী)’ লেখাও ছিল। খবর পেয়ে পোস্টারগুলি ছিঁড়ে ফেলে রেল পুলিশ।তবে তাতেও সাধারণ মানুষের আতঙ্ক কমেনি।এদিকে এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ রেল পুলিশের আধিকারিকরা।

বস্তুত, দিনকয়েক আগেই জঙ্গলমহলে ফের মাওবাদীদের হুংকার শোনা গিয়েছিল। মেদিনীপুরের সদর ব্লকের মুরাকাটার জঙ্গলে রাজ্যের মন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা শুভেন্দু অধিকারীর প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে মাওবাদী পোস্টার পড়েছিল। পোস্টারে লেখা ছিল, ‘শুভেন্দু অধিকারীর মুণ্ডু চাই।’ সম্প্রতি মেদিনীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় চারজন সন্দেহভাজন মাওবাদীকে। আসানসোল সিআইডি-র জালে ধরা পড়ে বিহারের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ মাওবাদী নেতা টাইগার।
[শান্তিপুর বিষমদ কাণ্ডেও হুঁশ ফেরেনি, ঘাটালে রমরমিয়ে চলছে চোলাই কারবার]
সর্বশেষ খবর
-
আরও সুগম হবে লাদাখ! ফোটু লা পাসে তৈরি হচ্ছে নতুন সুড়ঙ্গ, ৮২৪ কোটি বরাদ্দ কেন্দ্রের
-
দুই পুরুষ বন্ধুর সঙ্গে ট্রেকিংয়ে গিয়ে নিখোঁজ! উত্তর কাশীর এমবিএ পড়ুয়ার নিরুদ্দেশ ঘিরে ঘনাচ্ছে রহস্য
-
৩ বছর একই অফিসে কর্মরত পঞ্চায়েত কর্মীদের বদলির নির্দেশ, ১১,১৫৪টি শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ
-
সাইয়ের ২০০ কোটির প্রকল্প আটকে দিয়েছিল তৃণমূল! মমতা-অরূপকে কাঠগড়ায় তুলে বিস্ফোরক দিন্দা
-
খালি পায়ে সাড়ে তিন হাজার সিঁড়ি বেয়ে তিরুপতিতে জাহ্নবী, কেন এই কঠিন ব্রত?