Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
পরিযায়ী শ্রমিকদের ১০০ দিনের কাজে অগ্রাধিকার

১০০ দিনের কাজে বাড়তি গুরুত্ব পরিযায়ী শ্রমিকদের, শংসাপত্র দিলেই মিলবে জব কার্ড

যত বেশি সম্ভব কাজ দিতে হবে এঁদের, নির্দেশ পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০২০, ১৯:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০২০, ১৯:০৯

options
link
১০০ দিনের কাজে বাড়তি গুরুত্ব পরিযায়ী শ্রমিকদের, শংসাপত্র দিলেই মিলবে জব কার্ড zoom
ফাইল ছবি।

সন্দীপ চক্রবর্তী: ভিন রাজ্য থেকে ফেরার পর ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক। সেই পর্ব শেষ করেই গ্রামের কাজে নিযুক্ত হবেন বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকরা। তবে তারপর একশো দিনের কাজে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে তাঁদের। ভিন রাজ্য থেকে প্রায় কপর্দক শূন্য অবস্থায় বাংলায় ফিরে আসা এই শ্রমিকদের মানবিকতার খাতিরেই এমন সুযোগ দেওয়ার কথা ভেবেছে পঞ্চায়েত দপ্তর। যদিও নিয়ম মেনে এই জাতীয় কোনও সার্কুলার বা নির্দেশিকা জারি করা পারছে না দপ্তর।

গ্রামে যে শ্রমিকরা ফিরেছেন তাঁদের স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান বা পঞ্চায়েত জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে গ্রামের বাসিন্দার শংসাপত্র জমা দিতে হবে। তা ঠিকমতো জমা দিলেই মিলবে জব কার্ড। নতুন জব কার্ডেই প্রমাণিত হবে, তিনি পরিযায়ী কিনা। তবে ওই ব্যক্তির করোনা উপসর্গ থাকলে সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত কাজে নেওয়া হবে না। প্রয়োজনে করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ বা কোনও উপসর্গ নেই বলেও জানাতে হবে। রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, অবশ্যই পরিযায়ী শ্রমিকদের মানবিকতার খাতিরে গুরুত্ব দেওয়া হবে। তবে এভাবে তো সার্কুলার জারি করা সম্ভব না। কিন্তু একদম পঞ্চায়েত স্তরে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে কোনওভাবেই বঞ্চিত না করা হয়। কোনও রং দেখা হবে না। দেখতে হবে যেন বিভেদ না তৈরি হয়। স্পষ্ট নির্দেশ, যতো বেশি সম্ভব, কাজের সুযোগ তৈরি করতে হবে। মানুষকে কাজ দিতে হবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বিরোধ ভুলিয়ে দিল পরিযায়ী শ্রমিকের দল, তৃণমূল সরকারের পাশে ১৭ বামপন্থী সংগঠন]

মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, “চাইছি যতটা সম্ভব কাজ দেওয়া যায়। কাউকে ফেরানো হবে না। কাজের সময় সামাজিক দূরত্ব-সহ সবরকম বিধিনিষেধ প্রবলভাবে মানতে হবে। সরকারি আধিকারিকরা ঠায় দাঁড়িয়ে থেকে নজর রাখবেন।” অনেক ক্ষেত্রে পরিযায়ী শ্রমিক মহারাষ্ট্র, গুজরাট থেকে এসেও নিয়ম মেনে ঘরবন্দি থাকছেন না। স্বাস্থ্য দপ্তরের বিধি কার্যকর করতেই হবে, তৃণমূল স্তরে নির্দেশ পঞ্চায়েত দপ্তরের।

গ্রামে কাজের ফাঁকে অনেক সময় শ্রমিকরা একজোট হয়ে বসে বিশ্রাম নেন। সেই সব ক্ষেত্রেই সামাজিক দূরত্বের বিধি মানা হচ্ছে কি না, নজর দেওয়া জরুরি। একশো দিনের কাজের শ্রমিকদের মাস্ক পরে থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কিন্তু এতটা সত্ত্বেও কতটা বিধিনিষেধ মানা যাবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে পঞ্চায়েত কর্তাদের। একজনের কোনও রকম আক্রান্তের খবর এলেই অন্যদের কাজে যুক্ত রাখা খুব কঠিন হতে বাধ্য। গ্রামের মানুষকে বোঝানোর কাজও সেই কারণে একই সঙ্গে করতে হচ্ছে পঞ্চায়েত আধিকারিকদের। ভিন রাজ্য থেকে ফিরে আসা এবং বর্তমান বাসিন্দাদের মধ্যে যাতে কোনও বিভেদ না তৈরি হয় সেটাও দেখতে বলা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: ‘এখনই লকডাউন তোলার বিপক্ষে রাজ্য’, ক্যাবিনেট সচিবকে সাফ জানালেন মুখ্যসচিব]

বর্ষার আগে পুকুর কাটার কাজে আপাতত জোর দেওয়া হচ্ছে। যেমন করেই হোক, কাজ তৈরি করতে তৃণমূল স্তরে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পঞ্চায়েত দপ্তর সূত্রে খবর, গত তিন মাসে ১০০ দিনের প্রকল্পে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এবার সেই ক্ষতি পুষিয়ে যতটা সম্ভব শ্রম দিবস তৈরিতে জোর দিতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভিডিও কনফারেন্সে স্পষ্ট নির্দেশিকা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ও পঞ্চায়েত মন্ত্রী। গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে গ্রামের মানুষকে বেশি কাজের সুযোগকে গুরুত্ব দিচ্ছে নবান্ন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.