বাবুল হক, মালদহ: ফুলহার নদীর ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে দুর্গতদের বিক্ষোভের মুখে রাজ্যের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী তথা মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের বিধায়ক তাজমুল হোসেন। রবিবার হরিশ্চন্দ্রপুর-২ নম্বর ব্লকের রশিদপুর গ্রামে যান মন্ত্রী তাজমুল। ইতিমধ্যে ফুলহার নদীর জলস্তর কিছুটা বেড়েছে। জল বাড়তেই ফুলহারের ওই এলাকায় শুরু হয়েছে ভাঙন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বেশ কয়েকটি বাড়ি নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। বারবার প্রশাসনকে জানানো হলেও কোন লাভ হয়নি। এনিয়ে চরম ক্ষুব্ধ ছিলেন দুর্গতরা।মন্ত্রী তাজমুল হোসেন হরিশ্চন্দ্রপুরেরই বিধায়ক। এদিন তিনি এলাকায় যেতেই তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। ভাঙন রোধ, পুনর্বাসন-সহ একাধিক দাবিতে দুর্গতরা বিক্ষোভ দেখান। ভাঙন কবলিত এলাকার বাসিন্দারা অভিযোগ করেন,গত বছরও মন্ত্রী তাজমুল এই এলাকায় এসেছিলেন। সেই সময় সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি। এখন ভাঙন শুরু হতেই এলাকায় ফের এসেছেন তিনি। কিন্তু কীভাবে তিনি এই ভাঙন রোধ করবেন? প্রশ্ন দুর্গতদের।
[আরও পড়ুন: দম্পতি পরিচয়ে লজে যৌনতা? বর্ধমানের মহিলাকে ‘খুন’ করে উধাও পুরুষসঙ্গী]
ওই এলাকায় ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বাড়ি নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কোথায় থাকবেন তাঁরা, প্রশ্ন তুলে মন্ত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি পুনর্বাসনের দাবিও তোলেন তাঁরা। এই বিষয়ে রাজ্যের মন্ত্রী তাজমুল হোসেন বলেন, “এই কেন্দ্র থেকে লোকসভা নির্বাচনে জিতেছেন বিজেপির খগেন মুর্মু। এই বিক্ষোভ তাঁকে ঘিরে দেখানো উচিত।” পালটা রাজ্যের মন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, “ওই এলাকায় বিদ্যুতের ব্যবস্থা আমি করেছি। ভাঙন রোধের অর্থ চেয়ে রাজ্য সরকার দিল্লিতে চিঠি করুক। কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি লিখুক। আমরা সমস্যার সমাধান করব।”
[আরও পড়ুন: ট্রফি হাতে মেসির মতো সেলিব্রেশন রোহিতের, ভারত অধিনায়ককে শুভেচ্ছা জানাল ফিফা]
সর্বশেষ খবর
-
সোশাল মিডিয়ায় আলাপ, ভিনরাজ্যে ‘ধর্ষণে’র শিকার বঙ্গকন্যা, প্রভাব খাটিয়ে জেলমুক্ত যুবক!
-
কঠিন সময়ে অলকাকে বিশেষ বার্তা শানু ও শানের, কী বললেন তাঁরা?
-
ভারতে ঢুকেছিল তিনটি পাকিস্তানি বিমান, এয়ার ইন্ডিয়া বিপত্তির এক সপ্তাহ আগে
-
সারান্ডায় তাড়া খেয়ে বাংলামুখী, ১৪ বছর পর ‘ঘরে’ই আশ্রয় নাকি আত্মসমর্পণ মাওবাদী আকাশের?
-
তারাতলার গুদাম নির্মাণে ‘কুখ্যাত’ আসগর, বিপর্যয়ের বহু আগেই বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিল বাম কর্মী ইউনিয়ন